সিলেট | |
প্রকাশিত: ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
নিজস্ব সংবাদদাতা :: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ইজারা বহির্ভুত কালাইরাগ মজাটা খাবলে খাচ্ছে স্থানীয় বালুখেকো তুহিন চক্র। অথচ উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এ মৌজা। নিষেধাজ্ঞা অগ্রহ্য করে স্থানীয় প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এই মৌজা থেকে বালু লুট করছে ওই চক্র। বেআইনী দানব মেশিন পে-লোডার দিয়ে বালু তুলে হাইড্রোলিক ট্রাকে করে বালু পাচার করে দৈনিক লাখ লাখ টাকা কামাই করছে তারা। ফলে প্রয়োজন পড়ছেনা মানব শ্রমিকদের। অথচ ‘শ্রমিকেরা খেয়েপরে বাঁচবে’ এই শ্লোগান দিয়ে চক্রটি শ্রমিকদের বাদ দিয়েই নিজেদের পকেট ভারী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে প্রকাশ, বাংলা ১৪২৮ সনে বালু উত্তোলনের জন্য সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালা সাদক ও তৈমুর নগর মৌজা দুটি তুহিন কনস্ট্রাকশন নামর একটি চক্রকে লিজ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে ইজারাকৃত মৌজা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ইজারা বহির্ভুথ কালাইরাগ মৌজা থেকে চুরি করে বালু বিক্রি করছে ওই তুহিন চক্র। উপজেলার দয়ারবাজারের উত্তর-পূর্ব পার্শ্বের কালাইরাগ মৌজাটি ইজারা দেয় নি উপজেলা প্রশাসন। তা স্বত্বেও প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে বেআইনী যন্ত্রদানব পে-লোডার ব্যবহার করে ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে বালু লুট করে আসছে চক্রটি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন ৭০-৮০ ট্রাক বালু বিক্রি হয় কালাইরাগ মৌজাস্থ বাছিরের বাড়ির উত্তর অংশ থেকে। বালুখেকো তুহিন চক্র বালুর ফুট প্রতি এক টাকা করে আদায় করছে। ট্রাকভর্তি বালু কালাইরাগ থেকে নিয়ে কাটাখাল এলাকায় থাকা নৌকায় বিক্রি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মফিজের মাধ্যমে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ এ স্পট থেকে নিয়মিত বখরা আদায় করে যাচ্ছ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ছাত্রলীগ নেতা বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বুধবার আমি বাজারে বসেছিলাম। এমন সময় দেখি বালু ভর্তি একটি ট্রাক যাচ্ছে। একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম বিষয় কি? সে জানিয়েছে বেশ কিছুদিন ধরেই বালুর ট্রাক চলাচল শুরু হয়েছে। বেঙ্গা বাছিরের বাড়ির উত্তর পূর্ব দিক থেকে এই বালু ট্রাকে ভর্তি হয়। এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মূসা নাসের চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরণের ঘটনা ঘটলে আমরা তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে থাকি।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd