সিলেট | |
প্রকাশিত: ৬:১৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ জালাল উদ্দীনকে মূল এজাহার থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ, গুঞ্জন ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
প্রাপ্ত নথিপত্র ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর জৈন্তাপুর উপজেলার ২ নম্বর জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মোকামবাড়ী (পীরবাড়ী) আলুবাগান সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় জালাল উদ্দীনের নেতৃত্বে নাশকতা, মশাল মিছিল এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে জৈন্তাপুর মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন (মামলা নং-২৪, তারিখ: ২১/০৯/২০২৬)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যরা মশাল মিছিল বের করে সরকারবিরোধী ও উসকানিমূলক স্লোগান দেয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা চালায়। গ্রেফতারকৃত ও এজাহারভুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩)-এর ৭/৮/১০/১১/১২/১৩ ধারায় অপরাধ নথিভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উক্ত ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হলেও অভিযানের মূল নেতৃত্বদাতা হিসেবে পরিচিত জালাল উদ্দীনকে এজাহারভুক্ত আসামির তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত এই আসামিকে রহস্যজনকভাবে বাদ দেওয়ায় ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
আইন প্রয়োগে পুলিশের এমন পক্ষপাতমূলক আচরণের সমালোচনা করে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অপরাধ দমন ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিত ছিল। মূল অভিযুক্তকে মামলার বাইরে রাখার পেছনে কোনো অশুভ আঁতাত বা অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না-তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামীদের ইতোমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd