সিলেট | |
প্রকাশিত: ৩:১২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০২৬
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় এক প্রবাসীর পাঠানো ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপির এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় ও শনিবার রাতে পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপন, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্ত এবং বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ। এ ঘটনায় জড়িত আরও একজন পলাতক রয়েছেন। মামলার এজাহারে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক বেগ। তিনি বলেন, এক প্রবাসীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে ২৯ আগস্ট মো. সুমন নামে এক ব্যক্তি বিমানবন্দর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফকে ১ নম্বর আসামি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপনকে ২ নম্বর আসামি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্তকে ৩ নম্বর আসামি এবং বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেলকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বাদী মো. সুমন উল্লেখ করেন, তার বড় ভাই কাউসার মালয়েশিয়া প্রবাসী। গত ২৮ আগস্ট একটি বিয়ে ও পারিবারিক ব্যবহারের জন্য তার বড় ভাই মালয়েশিয়া থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাঠান।
পরে সুমন তার বন্ধু রোহান চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে রাত ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার বড় ভাইয়ের পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ গ্রাম করে মোট ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার গ্রহণ করেন। এরপর তারা ভাড়ায় নেওয়া একটি মাইক্রোবাসে করে বিমানবন্দর এলাকা থেকে রওয়ানা হন।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দর থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের বিপরীত পাশের সড়কে পৌঁছালে আসামিরা তাদের পথরোধ করেন। এ সময় তারা মাইক্রোবাস থেকে নামতেই আসামিরা তাদের ঘিরে ধরেন এবং তাদের আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের কাছে বোমা আছে উল্লেখ করে মারধর করেন। পরে তাদের সঙ্গে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে সুমন ও রোহানকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। অপর এক পথচারী কৌশলে তার মোবাইলের ক্যামেরায় ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে আরও লোকজন জড়ো হতে থাকলে আসামিরা ছিনিয়ে নেওয়া স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd