সিলেট | |
প্রকাশিত: ১০:১৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০১৯
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেট নগরীর ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকান কোঠা বসিয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি করছেন মহানগর হকার্স দলের তিন নেতা। নগরীর বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিরবে চাঁদাবাজি করছেন। তারা হলেন মহানগর হকার্সদল সভাপতি আব্দুল আহাদ, সহ-সভাপতি নূর ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ইসরাত জাহান খোকন এর বিরুদ্ধে ফুটপাত থেকে দৈনিক চাঁদা আদায় করানোর অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নিজস্ব লোক হাওয়ার কারণে এই তিন নেতা নিয়মিত ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। মেয়রের কোন অনুষ্টান হলেই এই তিন নেতার মাধমে অনুষ্টান সফলের লক্ষে হকারদের জুড়ো কারন তারা।
গত শনিবার যুবদলের বিদ্রোহী মিছিলে প্রায় শতাধিক হকার নিয়ে মিছিলে যোগদান করেন এই তিন নেতা। যার ফলে সিসিক মেয়রের কাছ থেকে অবৈধ সুবিদা হিসাবে নগরীর বিভিন্ন স্থানে হকার বসিয়ে বেপরোয়াভাবে চাঁদা আদায় করছে তারা।নেতাদের রয়েছে নির্ধারিত লাইনম্যান আর এদের দ্বারা তারা নিয়মিত মেয়রের কথা বলে চাঁদা আদায় করেন।
মধুবন মার্কেটের সামনে এক ক্ষুদ্র হকারের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, সিসিক মেয়রের নামে দৈনিক হকার নেতা আব্দুল আহাদ, নূর ইসলাম ও ইসরাত জাহান খোকনের লোক বশর আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যায়। যদি কোন হকার তাদের চাঁদা পরিশোধ না করে তাহলে সিসিকের মাধমে অভিযান দিয়ে ভ্যানগাড়িসহ সকল মালামাল নিয়ে যায়।
সম্প্রতি চাঁদা না দেওয়ায় অভিযান দিয়ে প্রায় চল্লিশটি গাড়ি নিয়ে যায় সিসিকের লোকজন। তাদের বেচে থাকা একমাত্র অবলম্বন ভ্যান গাড়ি হারিয়ে এখন পরিবার নিয়ে অসহায়। নেতাদের নিজ নিজ এলাকা ভাগ করা আছে। এই তিন নেতার দখলে হচ্ছে নগরীর করিমুল্লা মার্কেট থেকে জিন্দাবাজার পর্যন্ত। যার ফলে এই সকল এলাকায় হাকার বহাল তবিয়তে।মাঝে মধ্যে টাকার ভাগ না পেলে মেয়রকে নিয়ে অভিযানে নামেন সিসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
হাকার নেতাদের সম্পর্ক সরাসরি মেয়রের সাথে। তারা মেয়রের কথা বলে দোকান থেকে প্রকাশ্যে এই চাঁদা আদায় করেন। বাকিরা পুলিশের ও সিসিক কর্মচারীদের সাথে এরা প্রতিদিন রাতে টাকার হিসাব বুঝিয়ে দিতে হয়।
এদের কবল থেকে এই ক্ষুদ্র অসহায় হকারদের রক্ষা করতে সরকার ও প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন নগরীর সচেতন মহল।
বিস্তারিত আসছে এদের সাথে সিসিকের কারা জড়িত—-
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd