সিলেট | |
প্রকাশিত: ১১:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২১
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলন অভ্যাহত, মানচেনা কারো বাধা, উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর’র দু,দফা অভিজানের পরও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় কোন বাধাই কার্যকর হচ্ছেনা আলুবাগান, মোকামপুঞ্জি এলাকায়। পাহাড় ও টিলা কর্তন করে পাথর উত্তোলনের দায়ে পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে ২৩শে জুন ৭টি শেলো মেশিন ও ২২ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) জৈন্তাপুর ৬ টি মেশিন ধ্বংস করে ভ্রাম্যমান আদালত।
১২ জুলাই সরজমিন পরিদর্শন কালে জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামবাড়ী মৌজার ৬৮ নং দাগের সাবেক ৬৬ বর্তমান ৬৩ নং শ্রীপুর এরিয়ার মোকামপুঞ্জি সুপারী জুম হতে পাথর উত্তোলন অভাহত রেখেছে খাসিয়া আধিবাসী নেতা হেনরী লামিন, ভিভেনসন খাসিয়া, বকুল মিয়া, ইউছুফ আলী ও মিম খাসিয়া, হান্নান মিয়া ও তেরা মিয়া। পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক এমরান হোসেনের নেতৃত্বে গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ টিম ও র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করার পর সাপ্তাহ খানিক পাথর উত্তোলন বন্ধ তাকলেও বর্তমানে এলাকাটি পাথর কোয়ারীতে রূপান্তরিত করে ফেলেছে এসব টিলা খেকুরা।
সংবাদ মাধ্যমে জৈন্তাপুর উপজেলায় টিলা ও পাহাড় কর্তন করে পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টি করে প্রভাবশালী পাথর ও ভূমি খেকু চক্র নির্বিচারে পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩ শে জুন অভিযানে নামে পরিবেশ অধিদপ্তর।
এসময় টিলা কেটে পাথর উত্তোলনের ব্যবহৃত ৭টি সেলো মিশিন পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং ১৯৯৫, সংশোধিত ২০১০ ধারা ৬ (গ) লংগনের দায়ে পাহাড় ও টিলা কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক এমরান হোসেন। ইতোমধ্যে নিজেকে বাচাতে পাথর খেকো ইউছুফ আলী অনলাইন মেঘনা টিবির সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আত্মরক্ষা করে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন হেনরী লামীন গংরা পরিবেশ অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, সাংবাদিক ও আইনশৃংখলা বাহিনীকে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে পূনরায় পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd