সিলেট ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:১৫ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৯
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার প্রায় ৫০ লাখ অভিবাসীর বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। ২০১০ সালের আদমশুমারি এবং ২০১৭ সালের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের ওপর নির্ভর করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৬৫ সালের মধ্যে এশিয়ান আমেরিকানরাই হবে সর্ববৃহৎ অভিবাসী জনগোষ্ঠী। দেশটিতে বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নেপালি অভিবাসী। তাদের বৃদ্ধির হার ২০৬ শতাংশ। আর ভারতীয়দের সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।
তবে সেখানে বসবাসরতদের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য প্রকট। ৫০ লাখ দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে ১০ শতাংশই দারিদ্রতায় দিন কাটাচ্ছে। সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতি বাংলাদেশি ও নেপালিদের। বাংলাদেশিদের আয় ৪৯ হাজার ৮০০ ডলার। আর নেপালিদের ৪৩ হাজার ৫০০ ডলার।
নাগরিকত্ব না পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রায় ৬১ শতাংশিই চারটি সরকারি সুবিধার মধ্যে অন্তত একটি পেয়ে থাকে। পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৮ শতাংশ আর ভারতের ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ। তবে অনথিভুক্ত ভারতীয়দের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার। ২০১০ সাল থেকে যা ৭২ শতাংশ বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও থাকছেন ভারতীয়রা। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিলো আড়াই লাখ। তাই তাদের অনথিভুক্ত বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংস্থাটির অন্তর্বতীকালীন সহ-নির্বাহী পরিচালক লক্ষ্মী শ্রীদারন বলেন, ‘আমরা আমাদের কমিউনিটিকে বাড়তে দেখেছি। যেকোনও সময়ের চেয়ে এখনই তাদের প্রয়োজন বোঝা সবচেয়ে জরুরি। ২০২০ সালের আদমশুমারিতে আমাদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত প্রয়োজন।
আগামী আদম শুমারিতে নাগরিকত্ব প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প প্রশাসন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই গণনা থেকে অনেকে বাদ পরবেন। বিশেষ করে ৬ লাখ দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীকে গণনাই করা হয় না। বঞ্চিত হবেন আরও হাজার হাজার মানুষ। লক্ষ্মী বলেন, এতে করে যাদের সহায়তা বেশি প্রয়োজন তারাই বাদ পড়ে যেতে পারেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd