সিলেট | |
প্রকাশিত: ১:৫৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২৬
ক্রাইম প্রতিবেদক :: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ (সিওমেক) হাসপাতালের ইনডোর মেডিকেল অফিসার (সাইকিয়াট্রি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ শাখাটির সাবেক সভাপতি ডা. মাহমুদুল হক রিফাতকে। গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সহকারী সার্জন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ডা. রিফাতকে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে সিলেটের গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৭ সালের মে মাসে মাহমুদুল হক রিফাতকে সভাপতি এবং সজল এস চক্রবর্তীকে সাধারণ সম্পাদক করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের ৪ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেয় সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
শেখ হাসিনার শাসনামলে ডা. রিফাতের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তার ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ ছিল। ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল কলেজের আবু সিনা ছাত্রাবাস থেকে আরিফুল হক নামে ৫৪তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের পর পুলিশে সোপর্দ করার ঘটনায় তিনি ও সজল এস চক্রবর্তী সরাসরি নেতৃত্ব দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, তৎকালীন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল এস চক্রবর্তী বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সজল চক্রবর্তীসহ ৮ জনকে ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্য অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। অবাঞ্ছিত থাকা অবস্থাতেই গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে পূজা দেখতে গেলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন তিনি।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতার এমন পদায়নের ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের মাঝে জোর আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd