সিলেটে বেদেদের প্রতারণা হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা

প্রকাশিত: ৩:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১, ২০১৮

সিলেটে বেদেদের প্রতারণা হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা

Manual5 Ad Code

জামাল আহমদ :: সিলেট জজ কোর্ট এলাকাজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ৬/৭ জন অপ্রাপ্ত বয়সের বেদে সম্প্রদায়ের মেয়ে। বয়স তাদের কতই বা হবে? বড় জোর ১৩ থেকে ১৬। এই বয়সে ওদের বিয়ে হয়েছে। কারো সাথে বাচ্চা আবার কেও গর্ভবতী। পরনে ময়লা শাড়ি আর সেলোয়ার কামিজ পরা। দল বেধে ছুটছে ওরা। টার্গেট গ্রাম থেকে আসা কলেজ পড়–য়া ছেলে বা মেয়ে। কাঠের ছোট বাক্সের মধ্য থেকে সাপের মাথা বের করে আছে। আগন্তুকের সামনে এগিয়ে ধরছে সেটি। অমনি ভয়ে চমকে উঠছে। এরপর পথ আগলে দাবী করা হচ্ছে টাকা। চাহিদা মতো টাকা না দেওয়া হলে ছেলেদের সার্ট আর মেয়েদের ওড়না টেনে ধরা হচ্ছে। ছোট কাঠের বাক্সে সাপ নিয়ে চাঁদাবাজি নতুন নয়, কিন্তু বর্তমানে তা চরম পর্যায়ে পৌচেছে। পথচারী ও নগরবাসি সাপের ভয়ে ও ইজ্জত বাঁচাতে চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছে। নগরীর সুরমা পয়েন্টে সবচে বেশি এদের আনাগোনা। ৬/৭ জনের দল বেঁধে এরা চাঁদাবাজি করে। লোক বুঝে ৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে। নগরীর সুরমা পারে আলী আমজদের ঘড়ির পাশে বসায় তারা সাপের খেলা সেই খেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় হাজার হাজার টাকা।

Manual2 Ad Code

এসব যাযাবর বেদেদের মূল আবাস সাভার ও নাটোরের সিংড়ায়। এসব বেদে মেয়ের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রতিদিন তারা হাজার হাজার টাকা আয় করে। পুরষ ছেলেরা বাড়ি আরাম করে আর স্ত্রীরা বিভিন্ন শহর চষে বেড়ায় এসব পরিবারের নিজ এলাকায় পাকা ঘরবাড়ি জমি ও ব্যাংকে টাকাও মজুদ আছে। এটা তাদের পেশা। আগে বেদে পরিবারের পুরুষ নারী সদস্যরা সাপ খেলা সাপের ওষুধ বিক্রি সিঙ্গা লাগানো বাতের চিকিৎসা দেওয়ার নামে গ্রামের সহজ-সরল মহিলাদের কাছ থেকে টাকা, চাল, মুরগি খাবার আদায় করত। এখন মানুষ সচেতন হওয়ায় এসব প্রতারণা ব্যবসা ও ভুয়া চিকিৎসা ও ওঝাগিরি করতে পারে না। এখন তারা ছোট সাপ দেখিয়ে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে জোর পুর্বক টাকা আদায় করে থাকে। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কোন ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..