সিলেট ১২ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২২
বড়লেখা সংবাদদাতা :: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চাঞ্চল্যকর রুবেল হত্যা মামলার আসামি সাইফুল ইসলামকে (৩২) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর বুধবার (১১ মে) দুপুরে তাকে বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠায়। তবে এখন পর্যন্ত ধরাছোয়ার বাহিরে রয়েছে মামলার প্রধান আসামি মূল হোতা সাবুল মেম্বার। তাকে খোঁজছে পুলিশ। বাদী পক্ষে আশা এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএমই সাবুলকে গ্রেফতার করতে পারবেন। পুলিশ জানায়, রুবেল হত্যা মামলার চার নস্বর আসামি সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গত মঙ্গলবার (১০ মে) ভোর ছয়টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন। সাইফুল বড়লেখা সদর ইউপির কেছরিগুল গ্রামের সজ্জাদ আলীর ছেলে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) হাবিবুর রহমান পিপিএম বুধবার বিকেলে বলেন, রুবেল হত্যা মামলার আসামি সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। পরে বিচারকে নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আদাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ০৮ এপ্রিল জুমার নামাজের সময় বড়লেখা সদর ইউপির কেছরিগুল জামে মসজিদের ইমামকে নিয়ে কেছরিগুল এলাকার জামাল আহমদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জের ধরে রুবেল আহমদকে জামাল আহমদের পক্ষের লোক ভেবে বড়লেখা সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সরফ উদ্দিন নবাব ও তার ভাই একই ইউপির বর্তমান মেম্বার সাবুল আহমদ গংরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে রুবেল গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা রুবেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রুবেল সদর ইউপির কেছরিগুল গ্রামের মৃত ছয়েফ উদ্দিনের ছেলে। এই ঘটনায় নিহত রুবেলের ছোট ভাই ফয়ছল আহমদ বাদি ১৫ জনের নাম উল্লেখ ও আরো ১৫-১৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় এখনও পর্যন্ত পুলিশ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd