সিলেট | |
প্রকাশিত: ২:০১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাপ্পী কর্মকার স্ত্রী তিশাকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তিশাকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের কাছে জানিয়েছে স্বামী বাপ্পী।
এর আগে শনিবার বরিশাল নগরীর অমৃত লাল দে সড়কের নিজ বাসা থেকে গৃহবধূ তিশা কর্মকারের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী বাপ্পী কর্মকারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমেই হত্যার আলামত পাওয়া যায় বলে দাবি করে পুলিশ। তবে সে সময় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা জানান, গলায় দড়ি দিয়ে বৈদ্যুতিক পাখায় ঝুলে আত্মহত্যা করেছে গৃহবধূ তিশা।
শুক্রবার রাত ১টার দিকে কর্মকার ভবনের তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়া বাসার নিজ কক্ষে তিশা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে দাবি করেন স্বজনরা। তবে রাত থেকে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে দৌড়ঝাঁপ করলেও শনিবার দুপুরের দিকে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।
মৃত তিশা কর্মকার পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি এলাকার বাঁশতলা গ্রামের সুদেব হালদারের মেয়ে। তিন বছর পূর্বে অমৃত লাল দে সড়কের বাসিন্দা রবিন কর্মকারের ছেলে বাপ্পী কর্মকারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বাপ্পী নেশাগ্রস্ত হওয়ায় তাদের পরিবারে কলহ লেগেই ছিল।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই ফিরোজ আল মামুন জানান, হত্যার কথা স্বীকার করেছে ঘাতক স্বামী বাপ্পী কর্মকার। ঘটনার রাতে নেশাগ্রস্ত বাপ্পী তার স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. রাসেল জানান, মৃতের হাতে এবং গলায় দাগ দেখে বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে হত্যার কথা স্বীকার করে বাপ্পী। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন নিহত তিশা কর্মকারের ভাই সাগর হালদার।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd