৪ লাখ নিবন্ধনের মাইলফলক অর্জন করলো ‘গ্রামীণফোন একাডেমি : এআই কোর্সগুলোতে ব্যাপক সাড়া

প্রকাশিত: ৫:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

৪ লাখ নিবন্ধনের মাইলফলক অর্জন করলো ‘গ্রামীণফোন একাডেমি : এআই কোর্সগুলোতে ব্যাপক সাড়া

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক :: তরুণদের জন্য গ্রামীণফোনের বিনামূল্যের অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ‘গ্রামীণফোন একাডেমি’ ৪ লাখ নিবন্ধনের মাইলফলক অর্জন করেছে। গত আট মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪০ হাজার তরুণ প্ল্যাটফর্মটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্পর্কিত বিভিন্ন কোর্সে অংশ নিয়েছেন। পরিবর্তনশীল চাকরির বাজারে ডিজিটাল ও এআই দক্ষতার ক্রমবর্ধমান চাহিদারই প্রতিফলন এটি।

গ্রামীণফোন একাডেমি এমন সময় এ মাইলফলক অর্জন করল, যখন এআই ও অন্যান্য উদীয়মান প্রযুক্তি মানুষের শেখা, কাজের ধরন ও ক্যারিয়ার গঠনের পদ্ধতি বদলে দিচ্ছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান ও কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ডিজিটাল দক্ষতার গুরুত্বও ক্রমশ বাড়ছে। এই বাস্তবতায় তরুণদের ভবিষ্যতের এআইনির্ভর অর্থনীতির জন্য প্রস্তুত করতে বিভিন্ন ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ আরও বিস্তৃত করছে গ্রামীণফোন একাডেমি।

গ্রামীণফোন একাডেমির এআই প্রোগ্রামে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, এআই এজেন্টস, ক্রিয়েটিভ ইন্টেলিজেন্স, ওয়ার্কফ্লো অটোমেশন, এআইয়ের সহায়তায় পোর্টফোলিও তৈরি, কোডিং ছাড়াই অ্যাপ নির্মাণ, এআইনির্ভর ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (ইউএক্স) এবং মেশিন লার্নিংয়ের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইতোমধ্যে গ্রামীণফোন একাডেমির বিভিন্ন কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে সনদ অর্জন করেছেন ৫০ হাজার শিক্ষার্থী। শুধু শ্রেণিকক্ষের জ্ঞান অর্জন নয়, নতুন দক্ষতাকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচনেও শিক্ষার্থীদের সহায়তা করছে এই প্ল্যাটফর্ম।

পটিয়া থেকে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আমান উল্লাহ আমান জানান, গ্রামীণফোন একাডেমির অভিজ্ঞতা তাঁর যোগাযোগের দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণ উন্নত করার পাশাপাশি তাঁকে স্বাবলম্বী হতে এবং কর্মক্ষেত্রে নতুন পথ তৈরিতে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি যে এতটা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠব। গ্রামীণফোন একাডেমি আমাকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করেছে। এখন আমি ডেলয়েট বাংলাদেশে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি পড়ার পাশাপাশি আমার পরিমণ্ডলের তিনশরও বেশি তরুণের মাঝে অর্জিত এই জ্ঞান ছড়িয়ে দিচ্ছি।”

গ্রামীণফোনের হেড অব এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্নেন্স (ইএসজি) ফারহানা ইসলাম বলেন, “প্রতি বছর প্রায় ২২ লাখ মানুষ বাংলাদেশের কর্মসংস্থান বাজারে প্রবেশ করছেন, যেখানে দেশের মোট বেকার জনসংখ্যার ৭৮.৯ শতাংশই তরুণ। একই সাথে প্রযুক্তির দ্রুত রূপান্তর কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার ধরনেও বড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে। তাই পরিবর্তনশীল ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তরুণদের জন্য সময়োপযোগী ও সহজলভ্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণফোন একাডেমিতে ৪ লাখ নিবন্ধনের ei মাইলফলক এবং আমাদের এআই কোর্সগুলোতে তরুণদের ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, এই পরিবর্তনের যুগে শেখার ও নিজেদের গড়ে তোলার জন্য তরুণরা কতটা আগ্রহী। গ্রামীণফোন একাডেমির মাধ্যমে আমরা শেখার এই আগ্রহকে এমন দক্ষতায় রূপান্তর করতে চাই, যা ভবিষ্যতে তাদের জন্য নতুন ও অর্থবহ সুযোগ তৈরি করবে।“

গ্রামীণফোন একাডেমি তরুণদের জন্য ডিজিটাল, পেশাগত ও উদীয়মান প্রযুক্তির দক্ষতা অর্জনে সহজ সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে, যেখানে এআই ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের উপযোগী সক্ষমতা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান উপযোগি করে তোলা, নতুন আয়ের পথ তৈরি করা এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে তাঁদের আরও কার্যকর ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই গ্রামীণফোনের লক্ষ্য।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

সর্বশেষ খবর

………………………..