সিলেট | |
প্রকাশিত: ২:৪৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন দিঘীরপাড় এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) নিহতের ছোট ভাই মাহফুজ আহমদ জালালাবাদ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলানং-১৮, তারিখ-২৯/০৭/২০২৬ইং।
মামলায় শাহীন পাশা, নাঈম আহমদ, মবশ্বির আলী, নিজাম উদ্দিন, ইমন আহমদ, হাসান, আফিয়া বেগম, কামাল আহমদ ও আলাই মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের সকলের বাড়ি জালালাবাদ থানাধীন দিঘীরপাড় এলাকায়। তবে এ ঘটনায় তিনদিন হতে চললেও পুলিশ জড়িত কাউকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি।
মামলার এজাহারে বাদীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে গত সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে অভিযুক্তরা তাদের মালিকানাধীন বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। পরে সকাল প্রায় ১০টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধভাবে বাদীপক্ষের বাড়িতে হামলা চালায়।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার সময় আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যও আহত হন। হামলার একপর্যায়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুরের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
গুরুতর আহত আব্দুল্লাহ আল মামুনকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিটে তিনি মারা যান। পরে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরদিন মঙ্গলবার, নিহতের ময়নাতদন্ত ও দাফন-কাফনের কার্যক্রম সম্পন্ন করে মাহফুজ আহমদ জালালাবাদ থানায় লিখত অভিযোগ দিলে মামলাটি রুজু করা হয়।
এ বিষয়ে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব বলেন, নিহতের ভাইয়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd