সিলেট | |
প্রকাশিত: ২:৪৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০২২
দক্ষিণ প্রতিনিধি :: দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ছাত্রদলকর্মী ‘রাহাতের চাচা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিনজনের নামসহ অজ্ঞাত পরিচয় আসামি করা হয়েছে সাতজনকে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’ তবে নিহত আরিফুল ইসলাম রাহাতের বন্ধু সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বেতসান্দি ছনখাড়িগাঁও গ্রামের মাসুক মিয়ার ছেলে মো. জাহেদ আহমদ পালিয়ে রক্ষা পায়। সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করার জন্য অন্ন হয়ে খুজেতে থাকেন। জাহেদ আহমদ এই খুনের প্রধান সাক্ষী। এই সাক্ষীকে প্রাণে হত্যা করার জন্য বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন দূর্বৃত্তরা। দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদলকর্মী আরিফুল ইসলাম রাহাত খুনের ঘটনায় ১০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
নিহতের চাচা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে শুক্রবার রাত দুইটার দিকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানায় এই মামলা করেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার।
মামলার তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘রাহাতের চাচা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং বাকি সাতজনকে অজ্ঞাত হিসেবে আসামি করা হয়েছে। দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানা এলাকার সিলাম পশ্চিম পাড়ার সামসুদ্দোহা সাদী, মামলায় আসামি হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে পশ্চিমপাড়া গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে তানভির এবং আহমদপুর গ্রামের মৃত গৌছ মিয়ার ছেলে সানির নাম। অন্যান্য আসামিরা হলেন, দক্ষিণ সুরমা থানাধীন শাহসিকন্দর গ্রামের মো. আব্দুল মুকিদের ছেলে মো. শিপন মিয়া ও একই গ্রামের মৃত জমশীদ আলীর ছেলে মো. শিমুল আহমদ।
বাদীপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানা এলাকার সিলাম পশ্চিম পাড়ার সামসুদ্দোহা সাদীকে। অপর দুই আসামি হলেন একই এলাকার তানভীর আহমদ ও দক্ষিণ সুরমার তেতলি ইউনিয়নের মো. সানী।
তাদের মধ্যে সাদী ছাত্রলীগ কর্মী। তিনি সিলেট ছাত্রলীগের কাশ্মীর গ্রুপের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। দক্ষিণ সুরমা কলেজের ২০১৮-১৯ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। কলেজে পড়ার সময় একবার তাকে বহিষ্কারও করা হয়। বাকি দুজনও ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের ফটকের সামনে বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় আরিফুল ইসলাম রাহাতকে। ওই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র রাহাত দক্ষিণ সুরমা উপজেলার পুরাতন তেতলি এলাকার সুরমান আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সেদিন একটি পালসার মোটরসাইকেলে করে দুই তরুণ এসে পেছন থেকে রাহাতকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। পরে রাহাতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ৎ
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd