সিলেট ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১০:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০১৯
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোম্পানীর স্টাফ হাসিনার প্রেমের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেক যুবক। বহুরূপি হাসিনা বেগম ওসমানীতে আসার পর থেকে একরপর কান্ড করে করে যাচ্ছে। তার এই অবৈধ কর্মকান্ডের সেল্টার দিয়ে যাচ্ছে অত্র হাসপাতালের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। আর এই সেল্টারের পিছনে রয়েছে হাসিনার অনৈতিক সম্পর্ক।
জানা যায়- সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাদেশ^র এলাকার বাসিন্ধা হাসিনা বেগম স্বামীর ঘর ছেড়ে সিলেট নগরীতে পাড়ি জমায় প্রায় দশ-বারো বছর আগে। সিলেট অবস্তানের পর বিয়ে করে ফয়েজ নামের এক ব্যাক্তিকে। এরপর চাকুরি খুজতে শুরু করে বহুরুপি ওই নারী। কিন্তু কোথাও তার চাকুরি না হলেও বেছে নেয় ওসমানী হাসপাতালের ক্লিনারের কাজ। ততকালীন সময় ক্লিনারের দায়িত্বে ছিলো গাউছিয়া কোম্পানী এই কোম্পানীর মাধ্যমেই তার চাকুরি জীবন শুরু। এখন ওই নারী আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
সে মেডিকেলের ভিতর যতো বড় অপরাধই করোক না কেন কেউ ওই নরীর বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। কারণ কিছু তার সেল্টার অনেক উপরে। মেডিকেলের বেশ কয়েকজন সরকারি স্টাফের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক। হাসিনা হাসপাতালের যে ওয়ার্ডে ডিউটি করে ওই ওয়ার্ডেই তার রামরাজত্ব। ওয়ার্ডে রোগীর সাথে খারাপ আচরণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি সানমুন কোম্পানীর স্টাফ হাসিনা বেগম তার স্বামী ফয়েজকে ছেড়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অভিযোগে প্রকাশ হাসিনা মেডিকেলে ভিতরে একটি চক্র তৈরী করে একেরপর এক দূর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালের লেবার ওটির পোষ্ট অপারেটিভে ডিউটি করে। এখান থেকে দৈনিক হাজার টাকার ঔষধ বাণিজ্য করছে। এমনকি মেডিকেলের বর্হিরাগত দালালদের সাথে রয়েছে তার গভীর সম্পর্ক। আর এই সম্পর্কের কারণে সে রোগীদের ঔষধ পাচার থেকে শুরু করে সকল ধরণের অনিয়ম আর দূর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু একজন কোম্পানীর স্টাফ তার এত প্রভাব। এ নিয়ে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে চলছে নানান গুণজন।
একটি সূত্র জানায়- হাসিনা ইয়াবা ব্যবসা থেকে শুরু সকল অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার পরও থাকে ওই কোম্পানী থেকে বহিস্কার করা হচ্ছে না। এরই পিছনে রয়েছে হাসপাতালের সরকারি স্টাফদের সাথে টাকা ও দেহিক সম্পর্ক। যার ফলে সে কোন কিছু পরোয়া না করে চালিয়ে যাচ্ছে তার সকল অপকর্ম।
আরেকটি সূত্র জানায়- হাসিনা নিজেকে সানমুন কোম্পানী থেকে বহিস্কার করতে গেলেই বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয় কোম্পানীর কর্মকর্তাদের। বর্তমানে হাসিনা দেহের প্রভাব খাঁটিয়ে লেবার ওয়ার্ডে ডিউটি করছে। তাকে ভালো ওয়ার্ডে রোষ্টার দিতে হয়। না হলে শুরু করে নানান তালবাহানা।
হাসিনার এই সকল অপকর্ম, অনিয়ম ও দূর্নীতি থেকে ওসমানী হাসপাতালের সুনাম রক্ষা করতে পরিচালকের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেন সিলেটের সচেতন মহল।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd