বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে আরুহী দে নামে দেড় বছর বয়সী শিশুকন্যাকে খুনের দায়ে পাষন্ড মা সীমা রাণী দে’কে (২৫) একমাত্র আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সীমার শ্বশুড় বীরেন্দ্র কুমার দে বাদী হয়ে এই মামলা (নং-১২) দায়ের করেন।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে সৎকার করা হয়েছে আরুহী দে’র মরদেহ। এর আগে ময়না তদন্ত শেষ করে থানা পুলিশ মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
বুধবার বিকেলে সরেজমিন আরুহী দে’র বাড়ী উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী (দত্তপুর) গেলে দেখা যায় সর্বত্র এক শোকাবহ পরিবেশ। বাড়ীতে চলছে শোকের মাতম। তার দাদীসহ পরিবারের অন্যান্যরা এ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে গিয়ে বারবার হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন। সকলেই খুঁজে ফিরছেন তাদের প্রিয় আরুহীকে। তারা জানান, প্রায় তিন বছর আগে আপন খালাতো ভাই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী সুমন কুমার দে’কে নিজের পছন্দমতই বিয়ে করেন সীমা। দু’জনের ব্যক্তিগত জীবনে কোনো অশান্তি ছিল না। কিন্তু কি থেকে যে কি হয়ে গেল।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের দিঘলী (দত্তপুর) গ্রামের সুমন কুমার দে’র স্ত্রী সীমা রাণী দে তার দেড় বছর বয়সী কন্যা আরুহী দে’কে শ্বাসরুদ্ধ করে খুন করেন। খবর পেয়ে পরদিন দুপুরে থানা পুলিশ সিলেট ওসমানী হাসপাতাল থেকে আরুহীর মরদেহ উদ্ধার ও সীমাকে আটক করে।