সিলেট ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:৪৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০১৯
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: দেশের অন্যতম বৃহৎ পাথর কোয়ারি সিলেটের বিছানাকান্দি। যুগ যুগ ধরে উক্ত কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন হওয়ায় কোয়ারি এলাকায় নেই আর আগের মতো পাথর। ফলে পাথর খেকোদের লুলোপ দৃষ্টি এখন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনাকে পুজি করে পাথর খেকোরা এখন সংঙ্গবদ্ধভাবে উপজেলার বগাইয়া গ্রামের ভিতরে তৈরি করেছে নতুন নতুন শতাধিক কোয়ারি। যৌথভাবে কোয়ারি তৈরি করায় দৈর্ঘ প্রস্থে পাথরের গর্তের আকার শাখা নদীর মতো। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ওই গর্ত দিয়ে প্রবেশের পথ তৈরি করতে পারলেই এ গ্রামের ভিতর দিয়ে পিয়াইন নদীর আরেকটি শাখা নদী হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,উপজেলা প্রসাশন ও বিজিবির দ্বায়িত্বশীলদের নেই কোন মাথা ব্যাথা ? পরিবেশবাদিরা কোথায় আছেন ? কি করছেন ? জনমনে এ নিয়ে হাজারোও প্রশ্ন ।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সরেজমিন পরিদর্শনকালে ফুটে উটে এর বাস্থব চিত্র। বিছনাকান্দি বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন ও বগাইয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিনে বগাইয়া গ্রামের ভিতর সংঙ্গবদ্ধ পাথর খেকো চক্র জোট বেধে ঐ এলাকায় বিশাল ৫/৬শত ফুট দৈর্ঘ ও ৩/৪শত ফুট প্রস্থের গর্ত তৈরি করে পাথর উত্তোলনের মহা উৎসব চালিয়ে যাচ্ছে। যান্ত্রিক পদ্ধদিতে ফেলুডার দিয়ে ২০/২৫ফুট গভীর থেকে মাঠি খননের ফলে গর্তের চার পাশের বসবাসরত শতাধিক ঘর বাড়ি রয়েছে হুমকির মূখে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক ব্যাক্তি জানান, উক্ত গর্ত গুলির মালিক যথাক্রমে আবুল হাসিম মেম্বার,আসকির মিয়া,আব্দুল্লাহ ও আনোয়ার হোসেন ফূল মিয়া। ঐ চারজনের ভিতরে আরোও ২০/২৫জন পাথর খেকো শরিক রয়েছেন বলে জানাযায়।
এব্যাপারে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল জানান,মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক সনাতন পদ্বদিতে বিছনাকান্দি কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন হচ্ছে। উক্ত নির্দেশনার বাহিরে কেউ পাথর উত্তোলন করে থাকলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd