নগরীর যে সকল আবাসিক হোটেলে চলছে মধুচক্র

প্রকাশিত: ১১:৩১ অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০১৯

নগরীর যে সকল আবাসিক হোটেলে চলছে মধুচক্র

Manual7 Ad Code

ক্রাইম প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীর আবাসিক হোটেল গুলোতে স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্র ছাত্রী ও প্রেমিক প্রেমিকাদের আনা গোনা। নগরীর হোটেলে এখন সরগম সুন্দরী বাণিজ্য চলছে। যৌন ব্যবসা বা যৌন কর্মে লিপ্ত হওয়া নতুন কিছু নয়। সমাজের নাকের ডগায় প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে যৌন ব্যবসা চলমান দেশের আনাচে কানাচে। তবে সিলেট শহরসহ ভিন্নসব কৌশল অবলম্বনে যৌন ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই। নিম্ন শ্রেণীর হোটেল থেকে শুরু করে উচ্চ দামের হোটেলেও নানা দরদামে এসব সুন্দরীদের সঙ্গে মিলছে রাত কাটানোর সুযোগ। পুলিশের কাছে এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ থাকলেও অভিযান হচ্ছে কম। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত আবাসিক হোটেল গুলোতে রেষ্টের রোম ভাড়া নিয়ে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে তারা। অন্যদিকে কোন হোটেলে সুন্দরী মেয়েদের দিয়ে ব্যবসা করছে হোটেল মালিকরা।

Manual2 Ad Code

জানা যায়, নগরীর তালতলা হোটেল বিলাস, হোটেল সাদী, জননী আবাসিক, সুফিয়া হোটেল, সুরমা মার্কেটের হোটেল টরেন্টো, বন্দরবাজারের হোটেল মগানগর, হোটেল মজলিস, হোটেল তায়েফ, হোটেল নিরালা,হোটেল ইসলাম, সিটির হার্ট আবাসিক, মর্ডান আবাসিক, লালবাজারের হোটেল আলী, হোটেল আমির , হোটেল আল মিনার, হোটেল এলাহী, হোটেল আল জালাল, হোটেল বনগাঁও,মিনা বডিং, আম্বরখার হোটেল প্রভাসী, হোটেল নূরানী, হোটেল কায়কোবাদ,হোটেল শেরাটন,মেডিকেল রোডের হোটেল সফিক,পংকি রেস্ট হাউজ,চৌধুরী বডিং, মা বডিং, দক্ষিণ সুরমার হোটেল আল-তকদীর,হোটেল বিরতি, হোটেল কাশমীরসহ অর্ধশত আবাসিক হোটেলে প্রেমিক যুগলদের এন্টি ছাড়া রুম ভাড়া দিচ্ছে হারাচ্ছে সরকারের রাজস্ব। আর এ সকল হোটেলে রুম ভাড়ার কারণে দিনে দিনে নষ্ট তরুণ তরুণীরা।

Manual1 Ad Code

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট নগরীর বন্দরবাজার, দরগা, তালতলা কদমতলী, সোবহানীঘাট ও রেলস্টেশন এলাকার অর্ধশতাধিক হোটেলে এখন সুন্দরী বাণিজ্যে জমে উঠেছে। আবার এর সঙ্গে জমে উঠেছে মাদকের আসরও। সেবন করার হয় গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবা। সম্প্রতি একটি রিপোর্টে গোয়েন্দা রিপোর্টেও এ তথ্য উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। আরও জানা গেছে, উচ্চ বিত্তের ছেলেরা নগরীর শাহজালাল উপশহর আবাসিক এলাকাগুলোর নির্জন বাসাবাড়িগুলোতেও এ অপকর্ম চালায়। এ এলাকার অনেক প্রবাসীর বাড়ি খালি পড়ে থাকায় এ অপকর্ম নিরাপদেই চলছে-এমন তথ্য জানা গেছে। বেশকিছু বাড়িও এ চক্রের অনুসন্ধানে মাঠে রয়েছে গোয়েন্দা।
নগরীর বিভিন্ন অভিজাত ও খোলা রেষ্টুরেন্ট এখন যৌন মার্কেট। স্কুল কলেজ ও মেডিকরে স্টুডেন্টরা দিতব্যি এসব রেষ্টুরেন্টে আড্ডার পাশপাশি চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। অনেক স্টুডেন্ট তাদের নিজস্ব ব্যবস্থায় খাবার দাবার ছেড়ে দিয়ে রেষ্টুরেন্টকেই ভরসা হিসেবে বেছে নিয়েছে। ক্লাস ফাকি দিয়ে রেষ্টুরেন্টগুলোতে জমজমাট আড্ডা মেরে ছুক্তিমোতাবেক চলে যায় নির্জনে, হোটেলে- মোটেলে ও পার্কের জঙ্গলে। এভাবেই বহিরাগত ছাত্রীরা সিলেটের সামাজিক ঐতিহ্য বিনষ্টের পাশপাশি পুণ্যভূমি সিলেটকে পাপরাজ্যে পরিণত করে চলেছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও সংবাদকর্মীর নামেও কিছু নারী দেহব্যবসায় জড়িত। মিডিয়ার কর্তব্যক্তিদের ম্রানেজ করে আইডিকার্ড ও একটি ক্যামেরা সংগ্রহ করেই তারা মাঠে নামে দেহব্যসায়। এমন কয়েক যৌনকর্মী সাংবাদিক নামে সিলেটে দাপিয়ে বেড়াতে দেখা যায়।

সচেতন মহলের দাবি এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে যথাযগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..