সিলেট | |
প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলাধীন বৃহত্তর সারীঘাট এলাকার সর্বসাধারণের পক্ষ থেকে এক ভুয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। ভুয়া মাদ্রাসা, মসজিদ ও এতিমখানার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে চাঁদা আদায় এবং প্রতারণার অভিযোগে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) বরাবর একটি লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, গোয়াইনঘাট উপজেলার ৯নং পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের নয়াখেল টিলা গ্রামের তথাকথিত “ক্বারী নাসির উদ্দিন” (পিতা- মুসলিম আলী) উক্ত গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা নন এবং তিনি মুসলিম আলীর বা মৃত সিফাত উল্লাহর সন্তানও নন। তিনি বিভিন্ন সময়ে সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রী ও এমপি মহোদয়ের ভুয়া সীল, প্যাড ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করেছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি “টিলা নয়াখেল হযরত কামিল শাহ শেখ নাসিরিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা ও মসজিদ” নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নাম প্রচার করে আসছেন। সরেজমিনে উক্ত স্থানে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক, মসজিদ বা মাজারের অস্তিত্ব নেই; কেবল একটি অবৈধ বসতভিটা ও ঘর রয়েছে।
তিনি ভুয়া লিফলেট ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিজেকে ‘হাকিম’, ‘ক্বারী’, ‘সাংবাদিক’, ‘লেখক’, ‘মহতামিম’ বা ‘প্রতিষ্ঠাতা’ দাবি করে সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর থেকে অনুদান ও চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ।
এলাকাবাসীর মতে, এই ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে ওই এলাকার প্রকৃত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, যেমন—’জামিয়া কোরআনিয়া সারীঘাট মাদ্রাসা’ সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
এ অবস্থায়, উক্ত ভুয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দ্রুত সঠিক তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতারকের ভুয়া সুপারিশ বা অনুদান বন্ধে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
স্মারকলিপির অনুলিপি ডিআইজি সিলেট, অফিসার ইনচার্জ (গোয়াইনঘাট) এবং অফিসার ইনচার্জ (জৈন্তাপুর)-এর নিকট অবগতির জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd