সিলেট ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০২০
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: বাংলাদেশ বর্তমানে এক কঠিন দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক দিনদিন ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিতে প্রতি সপ্তাহ কিংবা প্রতিমাসে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হবে এ নিয়ে চিন্তিত রয়েছে সল্প আয়ের মানুষেরা। করনো ভাইরাস পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার মানুষের চলাচল আগের থেকে অনেক কমে এসেছে। যার ফলশ্রুতিতে সাধারণ মানুষের আয় নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। এমনই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন, বেসরকারি এনজিও ও সমিতি থেকে নেয়া টাকার কিস্তি পরিশোধ নিয়ে বিপাকে পড়েছে ঋণ গ্রহীতারা। জৈন্তাপুরে কয়েকটি বেসরকারি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছে এদের মধ্যে কেউ ক্ষুদ্র চায়ের দোকানদার, কেউবা সিএনজি অটোরিক্সা চালক কিংবা দিনমজুর। যার ফলে এসব হতদরিদ্র মানুষের সময় মতো কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায়, পড়তে হচ্ছে প্রতিদিন নানা বিরম্বনায়।
জৈন্তাপুরের একজন সিএনজি চালক বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে এখন আর আগের মতো মানুষের চলাচল না থাকায় আমরা যথেষ্ট পরিমাণ যাত্রী পাচ্ছিনা কিন্তু টাকা রোজগার হউক আর না হউক এমন এক দুঃসময়ে ঋণের কিস্তির টাকা সংগ্রহ করা আমাদের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিস্তির টাকার জন্য এনজিও এর প্রতিনিধিরা যথাসময়ে টাকা না দিলে তারা বাড়ি ছাড়ছে না, যার ফলে সইতে হচ্ছে নানান ধরনের লাঞ্ছনা। এমন নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে বিপাকে আমাদের মতো খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষের।
জৈন্তাপুর বাজারে রহিম নামে একজন ব্যক্তি যিনি মুদির দোকান পরিচালনা করে সংসার চালান। তিনি বলেন, আমি একটি এনজিও থেকে তিরিশ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে একটি মুদির দোকান দিয়েছিলাম। এই টাকার কিস্তি প্রতি সপ্তাহে আটশ টাকা জোগার করতেই হয়। কিন্তু করোনার ভাইরাসের কারনে মানুষের চলাচল কম থাকায় আমি আগের মত ব্যবসা করতে পারছি না। যার ফলশ্রুতিতে আমি কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পাড়ছি না। দিনমজুর আতিক বলেন, এখন কেউ কাজের জন্য আগের মতো ডাকে না। কাজ না থাকলেও প্রতি সপ্তাহে আমার ঋণের কিস্তির টাকা কিভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় আছি। তবে দেশের বর্তমান সময়ে কিস্তির টাকা আদায় স্থগিত রাখার দাবি তুলেছে ভুক্তভোগীরা।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd