ছাতকে প্রায় ২ মাস অনুপস্থিত ডাক্তার, হাসপাতালে অচলাবস্থা

প্রকাশিত: ২:৫২ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০১৯

ছাতকে প্রায় ২ মাস অনুপস্থিত ডাক্তার, হাসপাতালে অচলাবস্থা

Manual4 Ad Code

সুনামগঞ্জের ছাতকের কৈতক ২০ শয্যার হাসপাতালে গত ৬ মাসের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২ মাস অনুপস্থিত ছিলেন ডা. মো. আবু সালেহীন খান। এতে প্রায় তিন উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হয়ে হাসপাতালে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় ঘষামাজা করে স্বাক্ষর করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

Manual5 Ad Code

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ও ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বরাবর বিভিন্ন সময়ে পৃথক ১৩টি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ডাক্তারদের উপস্থিত বৃদ্ধি করতে মনিটরিং সেল গঠনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও রহস্যজনক কারণে ডা. আবু সালেহীন নিয়মিত বিরতিতে কর্তব্যে ফাঁকি দিচ্ছেন।

জানা যায়, কৈতক শয্যার হাসপাতালে ৭ জন ডাক্তারের স্থলে ডাক্তার রয়েছেন তিনজন। উপজেলার জনবহুল এলাকায় এ হাসপাতালটির অবস্থান থাকায় এখানে রোগীর সংখ্যা বেশি। এছাড়াও যাতায়াতের সুবিধা থাকায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার রোগীরাও আসেন এ হাসপাতালে।

Manual4 Ad Code

বিশাল এই জনগোষ্ঠীকে সেবা দিতে তিনজন ডাক্তারকে এমনেতেই হিমশিম খেতে হয়। এর মধ্যে একজনের অনুপস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, ডা. আবু সালেহীন খান জানুয়ারি মাসে দুই দিন, ফেব্রুয়ারি মাসে টানা সাত দিন, মার্চ মাসে সাত দিনসহ মে মাস পর্যন্ত ২৩ দিন হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকেন। পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বরাবর এ ব্যাপারে অভিযোগ দেওয়া হলে তিনি নৈমিত্তিক ছুটি অনুমোদন করেন।

এছাড়াও তিনি জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত নিয়মিত বিরতিতে আরও ২৭ দিন বিনা অনুমতিতেই হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকেন। অথচ হাসপাতালের পাশেই তার সরকারি কোয়ার্টারে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে ডা. আবু সালেহীন খান জানান, কয়েকদিন তিনি অসুস্থতা এবং পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে উপস্থিত হতে পারেননি। পরবর্তীতে ছুটি মঞ্জুর করিয়েছেন।

Manual4 Ad Code

কিন্তু ওই ছুটি ভোগ করেও বিনা অনুমতিতে আরও ২৭ দিন অনুপস্থিতির ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Manual8 Ad Code

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ শর্মা জানান, এ ব্যাপারে পৃথক কয়েকটি অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। জেলা সিভিল সার্জনের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..