প্রবাসীর স্ত্রীর একসঙ্গে ৬ মৃত সন্তান প্রসব !

প্রকাশিত: ৯:২৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৮

প্রবাসীর স্ত্রীর একসঙ্গে ৬ মৃত সন্তান প্রসব !

Manual6 Ad Code

মাহিনুর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শাখাইতি গ্রামের মো. আব্বাস আলীর মেয়ে এবং একই উপজেলার দেউবাড়িয়া গ্রামের সৌদিপ্রবাসী আবুল কালামের স্ত্রী।

বুধবার বিকালে আশুগঞ্জের নুর মেডিকেল সেন্টার নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এ সন্তানগুলোর জন্ম হয়।

Manual5 Ad Code

নির্ধারিত সময়ের প্রায় অর্ধেক সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হওয়ায় এসব সন্তানের কিছুটা শারীরিক গঠন ও লিঙ্গ হলেও পরিপক্বতা হয়নি।

Manual2 Ad Code

জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সরাইল উপজেলার শাখাইতি গ্রামের আব্বাস আলীর মেয়ে মাহিনুরের সঙ্গে একই উপজেলার দেউবাড়িয়া গ্রামের লাবু মিয়ার সৌদিপ্রবাসী ছেলে আবুল কালামের বিয়ে হয়।

বিয়ের প্রায় এক বছর পর কালাম দেশে আসেন এবং ৪-৫ মাস অবস্থান করলেও এ দম্পতির কোনো সন্তান হয়নি। পরে কালাম বিদেশে চলে গেলে উভয় পরিবারের লোকজন সন্তানের জন্য মাহিনুরকে বিভিন্ন কবিরাজি ওষুধ খাওয়ান। প্রায় ২ বছর পর কালাম আবারও দেশে আসলে তার স্ত্রী মাহিনুর সন্তান ধারণ করেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাহিনুরের সন্তানধারণের সময় প্রায় ৫ মাস চলে। তার স্বামী এখন বিদেশে অবস্থান করছেন।

গত মঙ্গলবার বিকালে খাবারের পর মাহিনুরের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। পরে তাকে বুধবার সকালে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মাহিনুরের গর্ভে ৪টি সন্তান থাকতে পারে বলে জানান।

এদিকে চিকিৎসক দেখানোর পর বিকালে বাড়ি ফেরার পথে নৌকায় উঠতে গেলে তার আবার শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় এবং নৌকাতেই একটি সন্তান প্রসব হয়। পরে তাকে দ্রুত নুর মেডিকেল সেন্টারে আবার আনা হলে চিকিৎসকের সহায়তায় একে একে আরও ৫টি সন্তান প্রসব হয়।

Manual5 Ad Code

চিকিৎসক জানান, কোনো প্রকার অস্ত্রোপচার ছাড়াই (৪টি ছেলে ও ২টি মেয়ে) ৬টি অপরিপক্ব বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হয়েছে। সব বাচ্চার কেবল হাত-পাসহ শারীরিক গঠন হয়েছে।

মাহিনুরের বাবা আব্বাস আলী ও শুশুর লাবু মিয়া বলেন, সন্তানের জন্য মাহিনুরকে তার মা ও শাশুড়ি কিছু কবিরাজি ওষুধ খাইয়েছিলেন।

Manual1 Ad Code

এ ব্যাপারে নুর মেডিকেল ক্লিনিকের চিকিৎসক শাহান আরা জানান, গর্ভধারণে সহায়ক যে কোনো ওষুধ গ্রহণসহ নানা কারণে মাতৃগর্ভে একাধিক ভ্রূণের জন্ম হতে পারে। মাত্র ৪-৫ মাস বয়সী এ বাচ্চাগুলোর শারীরিক গঠন পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। ফলে তারা মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়েছে। বর্তমানে মায়ের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..