সিলেট ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ১২:২৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩১, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : পারিবারিক কলহের কারনে মা (৬) বছরের শিশু কন্যাকে গলা টিপে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে টিম নওগাঁ পুলিশ।
জানা গেছে, মা তামান্না পারভিন ২০১২ সাল যখন বয়স ১৫ ছুঁই ছুঁই তখন তার বিবাহ হয় সিরাজুল ইসলাম নামক এক সৌদি প্রবাসীর সাথে। বিয়ের এক বছরের মাথায় জন্ম হয় শিশু সুমাইয়ার। কিছুদিনের মধ্যেই সিরাজুল ইসলাম তামান্নার অমতে পুনরায় আবার সৌদিতে চলে যায়। যখন তামান্নার খেলার বয়স তখন সে এক কন্যা সন্তানের মা স্বামী থাকে বিদেশে। এভাবে জীবনে চলতে গিয়ে তার জীবনের প্রতি অনিহা চলে আসে।বাবার বাড়িতে থাকলে বাবা মায়ের অনাদর অন্যদিকে শ্বশুর বাড়িতে থাকলে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের অ-সহযোগিতায় সে ভিতরে ভিতরে ভেঙ্গে পরেন। কষ্টের কথা কাউকে শেয়ার করতে না পেরে এক ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নেয়।
সে সকলের আদরের সুমাইয়া আক্তারকে হত্যা করে তার পরিবারের সকল সদস্যকে কষ্ট দেয়ার পরিকল্পনা।২৭ মার্চ রাতে খাবার শেষে মেয়ে সুমাইয়াকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে রাত ১০ টার দিকে নিজ হাতে গলা টিপে তামান্না তার নিজ কন্যা সুমাইয়াকে নৃশংসভাবে হত্যা করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরেরদিন শনিবারে সুমাইয়ার চাচা বাদী হয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় মামলা করলে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশ ঐদিনই তামান্নাকে ধামইরহাট উপজেলা থেকে গ্রেফতার করেন।
এবিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, তামান্না মেয়ে হত্যার শিকারুক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছেন পুলিশকে।মামলা দায়েরপূর্বক তাকে রবিবারে জেল হাজতে প্রেরণ করাহয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd