সিলেট | |
প্রকাশিত: ৮:০৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট নগরীর মহাজনপট্রি এলাকায় নোংরা পরিবেশে আলী এন্টারপ্রাইজ নামে ফুচকা তৈরীর একটি কারখানা গড়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন থেকে কোন ধরণের অনুমেদন ছাড়াই এই কারখানা পরিচালনা করছেন কামরুল হাসান নামের এক ব্যাক্তি।
গত ১২ ডিসেম্বর সিলেট র্যাব-৯ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মহাজনপট্রি এলাকার আলী এন্টারপ্রাইজ থেকে তাকে আটক করেন। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে কামরুল। কিন্তু এখনো বন্ধ হচ্ছে না এই আলী এন্টারপ্রাইজ। এই কারখানার নোংরা পা দিয়ে বানানো ফুচকা খেয়ে অসুস্থ্য হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণ ও তরুণীরা।
সম্পতি: মহাজনপট্রি এলাকায় নোংরা পরিবেশে ফুচকা তৈরীর দায়ে আলী এন্টারপ্রাইজ নামের ওই প্রতিষ্টানে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা অর্ধদন্ড এবং উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে মেঝেতে প্রস্তুত প্রক্রিয়া বন্ধ করে প্রকৃত মেশিনের মাধ্যমে ফুচকা উৎপাদনের শর্তে কারখানা খোলার অনুমতি দেয়া হয়।এ সময় ফুচকা তৈরীর কারখানায় আতরের মতো সুগন্ধী জাতীয় বোতল পাওয়া যায়। এজন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে আরো ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কিন্তু ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দেওয়া আইন মানতে রাজি নয় তারা। দিন দিন এই কারখানাটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তারা লোক চোঁখের আড়ালে মাহবুব মিয়ার গোদামে নোংরা পরিবেশে ফুচকা তৈরী করছে আলী এন্টারপ্রাইজ।
অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ভোক্তা অধিকার মেট্টো’র সহকারী পরিচালক মো. ফায়জুল্লাহ ও জেলার সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। যোগাযোগ করা হলে সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম মেঝেতে পা দিয়ে ফুচকা তৈরী করা হয় সেখানে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কারখানায় অভিযান চালানো হয়।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd