সিলেট ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:৪৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৯
সিলেট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নামে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনার, ২১ অক্টোবর বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে পৃথক পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন যুব সংগঠক ও আত্মকর্মী মোছাঃ শেফা ফেরদৌস, আছমাউল হুসনা ও সামছুন নাহার পুষ্প।
অভিযোগে তারা জানান, সিলেট যুব উন্নয়নের উপ-পরিচালক মো. আলাউদ্দিন, সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজহারুল কবির ও প্রশিক্ষিত যুব সংসদ প্রযুশ সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আফিকুর রহমান আফিকগং স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও জাতীয় যুব পুরস্কার বাছাই তালিকায় প্রকল্পবিহীন ভুয়া লোকদের মনোনীত করেছেন। যাদের যুব পুরস্কার পাওয়ার কোন যোগ্যতা নেই এবং যারা যুব উন্নয়নের ধারে কাছেও কোনদিন আসেনি। যাদের নিজের কোন সংগঠক বা প্রতিষ্ঠান নেই। তাদের নামে ভুয়া সার্টিফিকেট ও ফাইল বানিয়ে জাতীয় যুব পুরস্কার বাছাই তালিকায় মনোনীত করতে প্রধান সহায়কের ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন কতিথ যুব সংগঠক আফিক। যার দৌড়াত্ব দিন দিন সিলেট যুব উন্নয়নে বেড়ে চলেছে। অনেকে মান সম্মানের ভয়ে অভিযোগ করেন না। অভিযোগে আরো উলেখ করা হয়, ২০০৮ সালে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আজহারুল কবিরকে টাকা আত্মসাত ও বিভিন্ন অনিয়মের কারণে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আমরা যুব উন্নয়নের স্বার্থে বিগত ১০/১১ বছর যাবত কাজ করে যাচ্ছি। অথচ প্রকৃত যুব সংগঠক ও যুব আত্মকর্মীদের বঞ্চিত করে দিনের পর দিন সীমাহীন দুর্নীতি করে যাচ্ছেন কতিপয় ব্যক্তিরা। অজ্ঞাত কারণে প্রকৃত যুব সংগঠক ও আত্মকর্মীদের ফাইল গায়েব করে লাগামহীন দুর্নীতি এখনও চলমান রয়েছে। অভিযোগে আরো উলেখ করা হয়, তাদের এসব দুর্নীতির কারণে সিলেটে যুব উন্নয়নে প্রকৃত সংগঠক ও আত্মকর্মীরা তাদের কাজের আস্থা দিন দিন হারিয়ে ফেলছে। সিলেট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে যারা স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও আর্থিক লেনদেন এবং অপকর্মের সাথে জড়িত, তাদের বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রকৃত যুব সংগঠক ও যুব আত্মকর্মীদের কাজের মূল্যায়ন করার আহŸান জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd