সিলেট ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ৪:৪৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ২, ২০১৯
সিলেটে ঈদ এলেই মার্কেটে মার্কেটে ঘুরে বেড়ায় নারী পকেটমার চক্রের সদস্যরা। সুযোগ বুঝেই নারী ক্রেতাদের ভ্যানেটিব্যাগ থেকে কৌশলে হাতিয়ে নেয় মোবাইল ফোন ও টাকা। ঈদবাজারে এরকম চুরির ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে প্রায় সব মার্কেটে। এই চক্রের অন্যতম এক সদস্যের নাম স্বপ্না।
দু’দিন আগে নগরীর জিন্দাবাজার সিটি সেন্টারের সামনে থেকে স্বপ্না ও পকেটমার চক্রের আরেক সক্রিয় সদস্য পপিকে আটক করেছিল পুলিশ। এক রাত তাদেরকে থানায় আটকেও রাখা হয়। থানায় দুইজনই তাদের ছদ্মনাম ও পরিচয় দেয়। পরে রহস্যজনক কারণে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত কোন মামলা হয়নি। প্রসিকিউশনের মাধ্যমে তাদেরকে আদালতে হাজির করা হলে সেখান থেকে সহজেই বের হয়ে আসেন পপি ও স্বপ্না।
অবশ্য পপি ও স্বপ্নার এটাই প্রথম পুলিশের হাতে আটকের ঘটনা নয়। এর আগে জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার ও হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার এলাকায় চুরির সময় বহুবার আটক হয়েছে তারা। তবে প্রতিবারই পুলিশের ‘দয়ায়’ প্রসিকিউশনে চালান হয়ে সাথে সাথে বের হয়ে এসেছে তারা।
শনিবার রাতে নারী পকেটমার চক্রের সদস্য স্বপ্নাকে জিন্দাবাজার কাকলী মার্কেটের সামনে থেকে জনতা আটক করে হাতেনাতে। এরপর বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই এম এ মান্নান তাকে আটক করে নিয়ে যান থানায়। তার কাছ থেকে চোরাই তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। রাতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে স্বপ্না থানায়ই আছেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগের মতো এবারও স্বপ্নার বিরুদ্ধে নিয়মিত কোন মামলা হবে না। থানায় সে তার আসল পরিচয় গোপন করে নাজমা নাম লিখিয়েছে। আজ রবিবার প্রসিকিউশনের মাধ্যমে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। দিনশেষে হয়তো স্বপ্নাকে আবারও দেখা যাবে কোন মার্কেটে তার ‘হাত সাফাইয়ের’ কাজে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd