প্রচ্ছদ

সিলেটে যত্রতত্র অবৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড

১১ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:১৮

crimesylhet.com

Sharing is caring!

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেট সিটি করপোরেশনের কোনও প্রকার অনুমতি ছাড়াই সিলেট নগরের যত্রতত্র স্থাপন করা হচ্ছে অবৈধ বিলবোর্ড , ইউনিপোল ও মিনিপোল। এসব অবৈধ বিলবোর্ড, ইউনিপোল ও মিনিপোল কারণে সিটি করপোরেশন যেমন কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি নগরের সৌন্দর্য্যহানী হচ্ছে। কোনও কোনও প্রতিষ্ঠান আবার হাতেগুনা কয়েকটি বিলবোর্ড ও ইউনিপোলের অনুমতি নিয়ে শত শতবিলবোর্ড ও ইউনিপোল স্থাপন করছে।সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ি সিটি করপোরেশন কতৃপক্ষনির্বাচনী প্রচারের বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেষ্টুন সরালেও অবৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড অপসারণে তাদের নেই কোনও উদ্যোগ।সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, সিলেট নগরে ১০ টি বৈধ বিলবোর্ড ও ৩৮ টি ইউনিপোল রয়েছে। অথচ নগরের হুমায়ূন রশীদ চত্বর, কদমতলী, বন্দরবাজার ,আম্বরখানা, চৌহাট্টা ও টিলাগড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শতাধিক বিলবোর্ডও ইউনিপোল দেখা যায়।নগর ভবন সূত্রে আরো জানা যায়, সিলেট নগরে ৭০ টি বৈধ মিনিপোল, ২০০ টি বেল সাইন, ৪ টি ওভার হেড, ৭০ টি স্ট্যান্ড সাইন, ৬ টি যাত্রী ছাউনী রয়েছে। তবে বৈধ বিলবোর্ড, ইউনিপোল, মিনিপোল,বেল সাইন, ওভার হেড, স্ট্যান্ড সাইন ও যাত্রী ছাউনীর তালিকা দিতে অনীহা রয়েছে সিটি করপোরেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের।

নিয়ম অনুযায়ি, সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে যেকোনও ধরনের সরকারি-বেসরকারি বিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপন করতে হলে নির্ধারিত ফি দিয়ে সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন নিতে হবে। এরপর স্থাপিত বিলবোর্ড বা বিজ্ঞাপন বোর্ডের বিপরীতে প্রতি বছর কর্পোরেশনকে নির্ধারিত হারে কর দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে সিলেট সিটি করপোরেশনে এ আইনের প্রয়োগ নেই। যে কারণে বৈধবিজ্ঞাপন বোর্ড চেয়ে অবৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড সংখ্যা বেশি। সিলেট নগরে বৈধ বিলবোর্ড থেকে নগর কতৃপক্ষের বর্তমানে বছরে আয় ৩০ লাখ ৮১ হাজার ২৫০ টাকা। বছরের পর বছর ধরে সিলেট নগরে অবৈধ বিলবোর্ড থাকায় কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।অভিযোগ রয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে এক শ্রেণীর অবৈধ ব্যবসায়ী বছরের পর বছর অবৈধ বিলবোর্ডের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেট জেলা শাখার সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন,নগরে অবৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড অপসরনে সিটি করপোরেশনের কোনও উদ্যোগ নেই। সিটি করপোরেশনের উচিত অবৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড ভেঙ্গে ফেলা। এছাড়া যেগুলো বৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড রয়েছে এগুলোতে নিচেঅনুমোদন নম্বর ও মেয়াদ লেখা থাকলে বৈধ বা অবৈধ সহজে জানা যাবে।অবৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপনকারীদের জরিমানার আওতায় আনার দাবী জানিয়ে তিনি বলেন, বৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড অনুমোদন দেয়ার আগেনগরের সৌন্দর্য্যহানী যাতে না হয় সেদিকে সিটি করপোরেশনকে নজর রাখতে হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, যেগুলো অবৈধ বিজ্ঞাপন বোর্ড রয়েছে সব শীঘ্রই ভেঙ্গে ফেলা হবে।নগরে ডিডিটালবিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, অনেকে কয়েকটি বিজ্ঞাপন বোর্ডের অনুমতি নিয়ে অধিক সংখ্যায় বিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপন করছে। এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে।

  •  
  •  
  •  

আর্কাইভ

shares