সিলেট ২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:৫৯ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০১৮
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেট জেলা ছাত্রলীগে নতুন নেতৃত্ব আসছে শীঘ্রই। নতুন নেতৃত্বে কারা আসছেন, এ নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে কৌতুহল বিরাজ করছে। এরইমধ্যে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য পদে আবেদন গ্রহণ করেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। যাচাই-বাছাইয়ের পর শীঘ্রই ঘোষনা দেওয়া হবে নতুন কমিটি। দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে ঘোষনা দিয়েছেন নির্বাচনে নয়, বংশ দেখে সিলেকশনের মাধ্যে ছাত্রলীগের সকল কমিটি ঘোষনা করার।
দলীয় সূত্র জানায় বিশেষ করে অনুপ্রেবেশকারী এবং পারিবারিক রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করে কমিটি ঘোষনা করা হবে। পদ প্রত্যাশীদের ৩শ’ জীবনবৃত্তাস্ত জমা পড়েছে। এরমধ্যে সভাপতি পদে ৬০ ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৮০টি আবেদন এসেছে। বাকিগুলো অন্যান্য পদের। যাচাই-বাছাইয়ের পর সিলেট জেলা ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব উপহার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের দায়িত্ব প্রাপ্ত এক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা।
সভাপতি পদ প্রত্যাশী নাজমুল ইসলাম, হোসাইন আহমদ, বিপ্লব দাস, সাধারণ সম্পাদক পদে মুহিবুর রহমান, কনক পাল অরুপ, জাহেদ ইবনে জাওয়াদ খান এছাড়াও আরো অনেকে বিভিন্ন পদ প্রত্যাশী জানিয়ে বৃত্তান্তর জমা দিয়েছেন।
এদের মধ্যে থেকে মুহিবুর রহমানকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। তার ভাই মতছির আহমদ সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালন করে ছিলেন। তার পরিবার দলীয় পর্যায়ে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। মুহিবুর রহমান দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ব্যাক্তিগত ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে ছাত্রলীগের যোগ দিয়েছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। এধরনের লোক নেতৃত্বে আসলে ছাত্রলীগের রাজনৈতিক ক্ষতি সাধিত হতে পারে বলে আশংকা করছেন ছাত্রলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। মুহিবুর রহমানের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তার ভাই ছাত্রদল নেতা মতছির আহমদ ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে আসছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd