জালালাবাদ পার্কে প্রকাশ্যে চলছে অনৈতিক কার্যকলাপ

প্রকাশিত: 2:16 AM, January 21, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক : জালালাবাদ পার্ক, সৌন্দর্য্যপ্রিয় ও আরাম আয়েশের স্থান। বিকেল ৫ টা থেকে শুরু হয় মানুষের সমাগম। প্রকৃতির হাওয়ার বৈরি বাতাসে মুগ্ধ হয় পার্কে আসা লোকজন। লোকমুখে শুধু শোনা যায় একটি স্থানের নাম। যে স্থানটি হল জালালাবাদ পার্ক। অনেকে বলে এই পার্কে গেলে শরীর শীতল হয়ে যায়। একবার গেলে বারবার যাওয়ার মন চায়। আরো হল, ঐতিহ্যবাহী কীন ব্রীজের সামনে। সেখানে গেলে দেখা যায়, অনেক কিশোর এবং যুবকেরা পার্কে বসে আড্ডা ও মাদকের নেশায় বুদ হয়ে যায়। এমনকি কেউ সিগারেটের ভিতরে গাঁজা ভরে মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, এই পার্কের আড়ালে চলছে পতিতা ব্যবসা। কলেজ পড়–য়া ছাত্ররাও পার্কে ঘুরাফেরা করতে এসে জড়িত হচ্ছে মাদকের সাথে। আর পতিতা ব্যবসাতো প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে একটি সিন্ডিকেট চক্র। যে চক্রটি প্রশাসনের যোগসাজসে নষ্ট করে দিচ্ছে কলেজ পড়–য়া ছাত্র আর কিশোরদের জীবন। যেখানে মা বাবাদের স্বপ্ন থাকে লেখাপড়া করে ছেলেরা ভবিষ্যতে সুনামর্জন করবে। কিন্তু মা বাবাদের সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাচ্ছে পতিতা ব্যবসা আর মাদকের কারনে। যে পার্কের সামনে গেলে দেখা যায়, ১৮ থেকে ২৫ বছরের মেয়ে ও মহিলারা দাড়িয়ে থাকে সারিবদ্ধভাবে। তার তাদের কাষ্টমারের জন্য অপেক্ষায় থাকে। আর অপর দিকে সমকামিদের অনেক অজানা কথা আছে যা সাধারন মানুষ জানেনা। অনেকের কৌতুহল আছে। প্রথমতঃ সমকামিরা হিজড়া না। সমকামি দের মধ্যে কেউ কেউ শুধু পুরুষদেরই পছন্দ করে, আবার কেউ কেউ পুরুষ ও মহিলা, উভয় কেই পছন্দ করে। প্রকাশ্যে পার্কের বাতরুমে চলছে তাদের অনৈতিক কার্যকলাপ । কোনো কোনো মেয়েরা বলে শুধু ২০০ টাকা আবার কোনো মেয়েরা বলে ৫০০ টাকা। ২০০ আর ৫০০ মানে কি বোঝা যায় না। জিজ্ঞাসা করলে বলে পুলের নিচে ২০০ টাকা আর পার্ক বা হোটেলের রুমের ভিতরে গেলে ৫০০ টাকা। এই ধরনের ব্যবসার কারনে ছাত্র সমাজসহ যুব সমাজ ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে। এব্যপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী এনামুল হকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোন রিসিব করেননি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..