বিএনপির পদযাত্রায় হামলা-সংঘর্ষ-গুলি: আহত ৩ শতাধিক, আটক ৪৫

প্রকাশিত: ১:২৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৩

বিএনপির পদযাত্রায় হামলা-সংঘর্ষ-গুলি: আহত ৩ শতাধিক, আটক ৪৫

ডেস্ক রিপোর্ট: যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসাবে শনিবার দেশের বিভিন্ন ইউনিয়নে পদযাত্রা করেছে বিএনপি। একই সময় শান্তি সমাবেশে অংশ নিতে মাঠে নামে আওয়ামী লীগও।

 

বেশিরভাগ ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালিত হলেও অনেক জায়গায় বিএনপির পদযাত্রায় হামলা করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কোথাও কোথাও হামলার পর তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। জামালপুরে দুই দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

 

বরগুনার পাথরঘাটায় বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। এছাড়া বেশ কয়েকটি স্থানে বিএনপির পদযাত্রায় বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় নেতাকর্মীদের হাত থেকে ব্যানার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যশোরে পুলিশের বাধায় কোথাও পদযাত্রা শেষ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি।

 

নোয়াখালী, টাঙ্গাইল ও জামালপুরে বিএনপির ৪৫ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, বিএনপি নেতাকর্মীরাই তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

 

সারা দেশে হামলার চিত্র তুলে ধরে বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু বলেন, দেশের প্রায় প্রত্যেক জেলায় হামলা হয়েছে। সেসব তথ্য আমরা সংগ্রহ করছি। রোববার (আজ) কেন্দ্রীয়ভাবে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। তবে রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত ৫০টির ওপর হামলার তথ্য এসেছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন শতাধিক। এদের অনেককেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেফতার দুই শতাধিক। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে বাড়িঘরে হামলা, মালামাল লুট, অগ্নিসংযোগের ঘটনা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

 

এদিকে দেশ ও দেশের জনগণকে বাঁচাতে সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, দেশের ৪৫শ ইউনিয়নে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি। দাবি এক, একটা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন চাই। আমাদের ভোটের অধিকার চাই। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব।

 

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম-পড়া-মহল্লায় পদযাত্রা কর্মসূচি শেষে আলুকান্দা স্যান্ড বাজারে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এতে আরওবক্তব্য দেন জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন।

 

জামালপুর : সকালে তিতপল্লা ইউনিয়ন বিএনপির পদযাত্রা বের হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। একপর্যায়ে উভয়ের মাঝে সংঘর্ষ বাধে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শটগানের ৩৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় বিএনপির ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনকে আটক করেছে। এছাড়া ঘোড়াধাপে ইউনিয়ন বিএনপির পদযাত্রায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এ সময় বিএনপি নেতা মফিজুল ইসলাম মফিজসহ ৫ জন আহত হন। দিগপাইত ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নেতাকর্মীকে মারধর করেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এছাড়া জামালপুর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্যান্য ইউনিয়নে বিএনপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা হয়েছে।

 

লক্ষ্মীপুর ও কমলনগর : জেলায় পদযাত্রা কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের পৃথক হামলায় বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহত বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জাকির হোসেন, জিয়াউদ্দিন মাহমুদ, নুর নবী, মাসুম উদ্দিন তুহিন, আমজাদ ভূঁইয়া, ইয়াসিন আরাফাত আরিফ, আলমগীর হোসেন, আব্দুল আহাদ, শাহাদাত মিঝি, ইসমাইল হোসেন, আব্দুর রহিম, মো. ফাহাদ, মো. ইসলাম, এরশাদ হোসেনসহ ২৬ জন। অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। রামগঞ্জে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারীর বাড়িতে আওয়ামী লীগের লোকজন ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের ফজু মিয়ার হাটে উভয়পক্ষের সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। কমলনগরে বিএনপির এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

 

নারায়ণগঞ্জ : আড়াইহাজারে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে তিন পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া হয়। দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের পাঁচরুখী এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

 

রাজশাহী : জেলার ৭২টি ইউনিয়নে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতারা। কোনো কোনে স্থানে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। বিএনপির অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জে অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

পাথরঘাটা (বরগুনা) : সকাল ১০টায় পাথরঘাটায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তাদের পদযাত্রা শুরুর ঠিক আগে সেখানে হামলা চালান স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে বিএনপির ১২ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন-পাথরঘাটা পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এরফান আহমেদ সোয়ান, পৌর যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, পৌর যুবদলের জয়েন্ট সেক্রেটারি আবদুল হাদিদ ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহাজুল ইসলাম। এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহমদ সুজন বলেন, আমরা জানতে পারি বিএনপির কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হয়েছে। এর কারণ জানতে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। হামলার বিষয় অস্বীকার করেন তিনি।

 

ঝালকাঠি : সকাল ১০টায় সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন বাজার থেকে গণপদযাত্রা বের করেন ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পদযাত্রাটি শহরের দিকে যাওয়ার পথে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশ নেতাকর্মীদের কাছ থেকে ব্যানার কেড়ে নেয়। নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের মালিবাড়ি ব্রিজ এলাকা থেকে পদযাত্রা বের করে ইউনিয়ন বিএনপি। এ সময় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর আহসান কবির, যুগ্ম সম্পাদক শেখ লাভলু ও কৃষক দলের নেতা লুৎফর রহমান মোল্লাসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। কেওড়া ইউনিয়নেও বিএনপির পদযাত্রায় হামলা করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এতে কেওড়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মাহাতাব হোসেন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

খুলনা ও পাইকগাছা : ডুমুরিয়া উপজেলা সদর ইউনিয়ন ও রূপসার আইচগাতি ইউনিয়নে বিএনপির পদযাত্রায় বাধা দিয়েছে পুলিশ। কপিলমুনি ইউনিয়নে সকালে কর্মসূচি পালনে বাধা পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে গদাইপুরের কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তারা গদাইপুর পৌঁছলে হামলা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের ভ্যান থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। এতে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাদ্দাম হোসেন ও যুবনেতা মাসুদ পারভেজসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। একই সময় পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়েছে।

 

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) : সকাল থেকে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে পদযাত্রা ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় বিভিন্ন স্থানে বাধা দেয় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন দুলাল দাবি করেন, মঠবাড়িয়া সদর ও আমড়াগাছিয়ায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলায় আমাদের ১০-১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফারুক ও বিএনপি নেতা মোস্তফা মোল্লাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

সিংড়া (নাটোর) : উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে পদযাত্রা করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। বেলা ১১টায় শেরকোল বাজারে বিএনপির পদযাত্রায় বাধা দেয় পুলিশ। রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের কৈগ্রামে পদযাত্রায় ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ইদ্রিস আলী ও বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের নেতৃত্বে হামলা হয় বলে অভিযোগ করেন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান আফসারুজ্জামান। এতে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব চয়েন উদ্দিন ও যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম, ইফসুফ আলী আহত হন। ইটালী ইউনিয়নে উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইটালী ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। এ সময় মুনছুর আলী মোল্লা ও আব্দুস সবুর নামে দুই বিএনপি নেতার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় বিএনপির ৫ কর্মী আহত হয়েছেন। এছাড়া চৌগ্রাম এলাকায় রাকিব হোসেন নামে এক ছাত্রদল কর্মীকে মারধর করেন আ.লীগের কর্মীরা।

 

নেত্রকোনা : সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বিএনপি পদযাত্রা করে। সকালে নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়ন বিএনপির পদযাত্রায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। এতে বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন রৌহা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আসাদুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশিক মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হাদিস মিয়া, মানিক মিয়া ও শাহজাহান মিয়া।

 

নোয়াখালী : সকাল ১০টায় জেলার চাটখিল উপজেলার সাহাপুর, হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ, পরকোর্ট ইউনিয়নে ও কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ এবং সোনাইমুড়ীর সোনাপুর ইউনিয়নে বিএনপির পদযাত্রায় পুলিশি বাধা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে অঙ্গসংগঠনের অন্তত ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

ধামরাই (ঢাকা) : উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের হাতকোড়া এলাকায় বিএনপির পদযাত্রায় পুলিশের বাধা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা করেছে। এ সময় বিএনপির অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এক বিএনপি কর্মীর চা স্টল ও টেলিভিশন ভাঙচুর করেছে।

 

যশোর : পুলিশের লাঠিপেটা ও ধরপাকড়ের মধ্য দিয়ে যশোরে বিএনপির ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশের বাধা ও লাঠিচার্জে কোথাও পদযাত্রা শেষ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। সমাবেশও করতে দেয়নি পুলিশ। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরাও ইটপাটকেল ছুড়ে পুলিশের লাঠিচার্জের জবাব দেন। যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ও ফতেপুর ইউনিয়নের পদযাত্রা থেকে দুই কর্মীকে আটক করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে কর্মসূচির আগে শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আরও ১২ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আরও বিভিন্ন স্থানে হামলা সংঘর্ষ : কক্সবাজারের টেকনাফ হ্নীলা স্টেশন চত্বরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ভোলায় দুই দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। টাঙ্গাইলের আট উপজেলা থেকে ১৯ বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আওয়ামী লীগের হামলায় আহত হন বিএনপির ৬ নেতাকর্মী।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

February 2023
S S M T W T F
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728  

সর্বশেষ খবর

………………………..