সিলেট ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:১৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের রাজনীতিতে সব সময়ই এক ধরনের ‘ভিআইপি’ আমেজ থাকে। জাতীয় রাজনীতিতে এই অঞ্চলের নেতাদের প্রভাব বরাবরের মতোই জোরালো। তবে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবার নজর এখন তিন হেভিওয়েট নেতার দিকে-বিএনপি ঘরানার প্রভাবশালী নেতা আব্দুল মুক্তাদির, সিলেটের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া।
সিলেট-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দলের ভেতরে ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে সিলেটের তৃণমূল রাজনীতিতে তার শক্ত অবস্থান এবং দলের প্রতি দীর্ঘদিনের আনুগত্য তাকে মন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে রাখছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দল যদি অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত কাউকে সিলেটের অভিভাবকত্ব দিতে চায়, তবে মুক্তাদিরই হতে পারেন প্রথম পছন্দ।
সিলেট-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী। জনপ্রিয়তার ম্যাজিক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং সিলেটের উন্নয়ন কারিগর হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। দল ও মতের ঊর্ধ্বে গিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত আরিফ যদি মন্ত্রিসভায় ডাক পান, তবে সেটি হবে তার কাজের বড় স্বীকৃতি। তবে দলীয় শৃঙ্খলা ও কৌশলী অবস্থানের ওপর নির্ভর করছে তার শেষ মুহূর্তের ভাগ্য।
হবিগঞ্জ- আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়া। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়াকে নিয়ে আলোচনা একটু ভিন্ন মাত্রার। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার পরিচিতি এবং অর্থনৈতিক দক্ষতা সরকারের জন্য বড় সম্পদ হতে পারে। যদি সরকার কোনো বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন কাউকে বেছে নিতে চায়, তবে রেজা কিবরিয়া হতে পারেন বড় চমক।
সিলেটের মানুষের প্রত্যাশা, যিনিই মন্ত্রী হোন না কেন, তিনি যেন প্রবাসীবহুল এই অঞ্চলের উন্নয়ন এবং অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। তবে ভাগ্য কার সহায় হবে, তা জানতে সময়ের অপেক্ষা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd