আর অন্যান্যদেরকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানাগেছে। কারণ গডফাদার নিজেকে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবত দাপটের সাথে সীমান্ত এলাকায় বসবাস করে চোরাচালান,চাঁদাবাজি ও মাদকের রমরমা বাণিজ্য করছে।
তার অবৈধ কাজের প্রতিবাদ করায় গত ১৫.০২.১৯ইং শুক্রবার দৈনিক কালেরছবি পত্রিকার সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী সাবজল হোসেনের ওপর হামলা চালিয়ে টাকা ছিনতাই করার ঘটনায় আব্দুর রাজ্জাকসহ মোট ৫জনকে আসামী করে মামলা করেছে নির্যাতত ওই সাংবাদিক। বালিয়াঘাট গ্রামের গৃহবধু নাজমা বেগম চাঁদা না দেওয়ায় আব্দুর রাজ্জাক তার বাহিনী নিয়ে ওই গৃহবধুর বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করাসহ শারীরিক নির্যাতন করার কারণে গত ০৮.০৫.২০১১ইং আদালতে আব্দুর রাজ্জাক,তার ভাই আব্দুল কদ্দুসসহ মোট ১৬জনের বিরুদ্ধে দঃবিঃ আইনের-৪৪৮/৩৮৫/৩৮০/৪২০/৪২৭/৩২৩/৩৫৪/৩৪ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে কয়লা পাচাঁরের সময় কয়লা ও নৌকাসহ রাজ্জাকের বড়ভাই আব্দুল কদ্দুসকে গ্রেফতার করে এবং বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার আক্তারুজ্জামান বাদী হয়ে সোর্সদের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় মামলা নং-৯,(জি.আর-৭২/০৭),তারিখ-১৭.০৯.০৭ইং দায়ের করেন। এই মামলায় আদালত ৪ বছরের সাজা দেওয়ার পর আব্দুল কদ্দুস দীর্ঘদিন জেলখাটে এবং আব্দুর রাজ্জাক পলাতক থেকে হাইকোর্ট থেকে জামিনে রেব হয়ে আসে। বর্তমানে আদালতে মামলা নং-৬/২০০৮ইং হিসেবে চলমান রয়েছে বলে জানাগেছে।
এব্যাপারে সাংবাদিক সাবজল হোসেন,গৃহবধু নাজমা বেগম,সিজিল মেম্মার,শফিকুল মেম্মার, নুরুল আমিন মেম্বারসহ আরো অনেকেই বলেন-চোরাচালান,চাঁদাবাজি ও মাদকসহ মানুষের ওপর নির্যাতন বন্ধ করার জন্য সীমান্ত সন্ত্রাসী আব্দুর রাজ্জাককে শীগ্রই গ্রেফতার করে তার অবৈধ কোটিকোটি টাকা ও সম্পদ সরকারের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন।
সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক মাকসুদুল আলম বলেন,সীমান্ত চোরাচালান বন্ধ করাসহ চোরাচালানীদেরকে গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।




