সিলেট ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের অবহেলিত তাহিরপুর উপজেলার ৭টি বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে ব্যবসার-বানিজ্যের প্রান কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত বাদাঘাট বাজার। বাদাঘাট ইউনিয়নের বাজার ও জেলার সদরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র সড়ক হল বাদাঘাট-সুনামগঞ্জ সড়ক। এই সড়ক দিয়েই সারা বছর জেলা সদর,পাশ্বভর্তি বিশ্বাম্ভরপুর উপজেলা ও তাহিরপুর উপজেলার সাথে যোগাযোগ করে থাকে হাজার হাজার জনসাধারন। এই সড়কের মাঝে মিয়ারচর নদীর উপর একটি মাত্র ব্রীজ না থাকায় জীবনের যুকিঁ নিয়ে ও র্দীঘ সময় নষ্ট করে নদী পারাপাড় হতে হচ্ছে প্রতিদিন স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থী,বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্টানের চাকুরীজীবি,ব্যবসায়ী,চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও সাধারন মানুষ। এছাড়াও জেলার তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার হয়ে জেলা সদরে যাতায়াত সহজ হত এবং দুটি উপজেলার সংযোগ সৃষ্টি হত।
নদী পারাপড়ের জন্য নৌকা দিয়ে বাইসাইকেল,মটরসাইকেল,ঠেলাগাড়ি,ভেনগাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন পারাপার হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এই সড়কের সাথে জরিয়ে আছে বাদাঘাট ইউপি ও পার্শ্ববর্তী বিশ্বাম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিন বাদাঘাট ইউনিয়নের ৫০টি গ্রামের লক্ষাধিক জনসাধারন। বাদাঘাট ইউনিয়নে রয়েছে ১টি পরিবার কল্যান কেন্দ্র,৭-৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১টি,মাদ্রাসা ১টি,১টি ডিগ্রি কলেজ। এসব শিক্ষা প্রতিষ্টানে ৮-৯শতাধিক শিক্ষার্থীর বেশি লেখাপড়া করছে। এছাড়াও এলাকার অধিকাংশ কৃষক,সবজি চাষীরা তাদের উৎপাদিত পন্য সামগ্রী বেচা কেনার জেলা সদরে,পাশ্ববর্তি বিশ্বাম্ভরপুর বাজার,তাহিরপুর সদর ও বাদাঘাট বাজারে আসা যাওয়া করতে পারছে না নদীতে ব্রীজ না থাকায়। আসা-যাওয়া করতে গেলে যাতায়াত খরচের পরিমান বেড়ে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়ী ও কৃষকদের কষ্টার্জিত ফসল বিক্রি করে লাভবান হতে পারছেন না। জেলা সদর,পাশ্ববর্তি উপজেলা ও বাদাঘাট বাজারের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য মিয়ারচর নদীর উপর সর্বস্তরের জনসাধারন একটি ব্রীজ নির্মানের র্দীঘ দিনের দাবী জানিয়ে আসলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার ফলে এলাকাবাসীর মাঝে র্দীঘ দিনের ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বাদাঘাট বাজার বনিক সমিতির সভাপতি সেলিম হায়দার,ব্যবসায়ী রাশিদ ভূঁইয়া,শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান,স্থানীয় এলাকাবাসী,ছাত্রছাত্রী ও কৃষকগন জানান-মিয়ারচর নদীর উপর একটি ব্রীজ নির্মান হলে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারনের ব্যবসা-বানিজ্য ও চলাচলের পথ সুগম হবে ভোগান্তি থেকেও মুক্তিপাবে।
উত্তর বড়দল ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি মাসুক মিয়া জানান-মিয়ারচর নদীর উপর একটি ব্রীজ তৈরী হলে এখান কার মানুষের অনেক উপকার হবে। জেলা সদরের সাথে সংযোগ আরো সহজ হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান-যোগাযোগের রক্ষা করার জন্য রাস্তার মাঝে খাল,নদীর উপর ব্রীজ,কালর্বাড স্থাপন করা প্রয়োজন। মিয়ারচর নদীতে ব্রীজ স্থাপন হলে সর্বস্থরের জনসাধারন উপকৃত হবে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান-মিয়ারচড় নদীর উপর একটি ব্রীজ নির্মান করা হলে জেলা সদর,বিশ্বাম্ভরপুর উপজেলার সাথে যোগাযোগ ও জনসাধারনের চলাচলের সুবিধা এবং ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd