হবিগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার মামলা

প্রকাশিত: ২:০৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কান্তি চক্রবর্তীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছে যুবলীগ নেতা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের ছবি অবমাননার অভিযোগে মামলা করা হয়।

বুধবার বিকালে উপজেলা যুবলীগের সদস্য জয়দীপ রায় জনি বাদী হয়ে আজমিরীগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অপর আসামিরা হচ্ছেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী ও এলজিইডির কার্যসহকারী মো. সাকারিয়া।

বিচারক রাজিব আহমেদ তালুকদার বাদির জবানবন্দি শেষে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৩ জানুয়ারি উন্নয়ন মেলায় উপজেলা কার্যালয় চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ খানের ছবিসংবলিত একটি ফেস্টুন ইউএনও পুলক কান্তি চক্রবর্তীর নির্দেশে অন্য আসামিরা ছিঁড়ে ফেলেন।

ফলে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনসহ জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মামলার বাদী চরমভাবে মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। বাদী মনে করেন এটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। ওই ঘটনার ফলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের এক হাজার কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জিল্লুর রহমান চৌধুরী জানান, ইউএনও পুলক কান্তি চক্রবর্তীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত মামলাটিকে বিভাগীয় তদন্তের আদেশ প্রদান করেছেন।

প্রসঙ্গত, ১৪ জানুয়ারি আজমিরীগঞ্জের ইউএনও পুলক কান্তি চক্রবর্তীকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক বাবলু রায়, যুগ্ম আহ্বায়ক মমিনুল ইসলাম সজীব ও সদস্য কবির মিয়ার নাম উল্লেখ করে ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় যুবলীগ কর্মী উকেদ মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares