সিলেট ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৯:২৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের খাদিম নগর ইউনিয়নে রঙ্গিটিলা গ্রামে বিষ পানে এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। নিহত সুমি বেগম পিয়াইনগুল কলিম উল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। নিহত সুমি বেগমের মা রাহেলা বেগম জানান,
গত বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার সময় সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানাধীন রঙ্গিটিলা গ্রামে ভিকটিম সুমি বেগমের বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে নিহতের মা রাহেলা বেগম বাদী হয়ে ছালিয়া (বাতান) গ্রামের শুকুর মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২৫) কে বিবাদী করে এসএমপি সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এয়ারপোর্ট থানায় দেয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার(১০ নভেম্বর) রাতে মামলা রুজু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ময়নুল জাকির। সুমি বেগমের মামলার বাদী রাহেলা বেগমের দেয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানাধীন রঙ্গিটিলা গ্রামের মৃত মখন মিয়া ও রাহেলা বেগমের মেয়ে নিহত সুমি বেগম (১৭)।
বিবাদী মামুন মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে সুমি বেগমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পিয়াইনগুল কলিম উল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী সুমি বেগমের মামুন মিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় একে অপরের বাড়ীতে ঘন ঘন যাতায়াত করতো। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে সুমি বেগম ও মামুন মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া সৃষ্টি হয়। উভয়ের মধ্যে ঝগড়াঝাটির পর মামুন মিয়া তার নিজ বাড়ীতে চলে গেলে সুমি বেগম বিষপান করে ফেলে। খবর পেয়ে সুমি বেগমের আত্মীয় স্বজনরা তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য সিলেট এম,এ,জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধী অবস্থায় ওইদিন সন্ধ্যা ৭ টায় সুমি বেগম মৃত্যু বরণ করে। সুমি বেগম মারা যাওয়ার পর পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্তের পর লাশ দাফন করেন তার পরিবার।
এ ব্যাপারে এয়ারপোর্টে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ময়নুল জাকির জানান, সিলেট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট থানাধীন খাদিম নগর ইউনিয়নের রঙ্গিটিলা গ্রামের মৃত মখন মিয়া মেয়ে সুমি বেগম বিষপানে মৃত্যু বরণ করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে প্রতিয়মান হচ্ছে। তবে সুমি বেগমের মা রাহেলা বেগম বাদী হয়ে ছালিয়া (বাতান) গ্রামের শুকুর মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২৫)কে আসামি করে এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলাটি রুজু হয়েছে এবং গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে পুলিশ।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd