সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলায় ১০ মাসের শিশু সন্তানের মায়ের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি।পরিবারের দাবি হত্যা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও মেয়ের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৬ ডিসেম্বর তাদের মেয়ে ১০ মাসের কন্যা সন্তানের জননী সেলিনা আক্তার (২৮) সন্ধ্যায় নিজ পিত্রালয় গোয়াইনঘাট উপজেলার ছৈলাখেল ৮ম খন্ড গ্রামে যায়। ঐ দিন রাত মা ও বড় ভাইয়ের বউয়ের কাছে জানায় তার স্বামী জৈন্তাপুর উপজেলার বিড়াখাই গ্রামের আলাই মিয়ার ছেলে ডালিম মিয়া (৩৫) টমটম গাড়ী ক্রয় করবে এজন্য ১ লক্ষ টাকা দিতে হবে। ইতোপূর্বে সে একাধিক বার বিভিন্ন ভাবে টাকা শশুরবাড়ী থেকে নেয়। টমটম ক্রয়ের জন্য টাকা না নিয়ে বাড়ী ফিরলে অসুবিধা হবে বলেও জানান।
এদিকে মেয়েকে তার বড় ভাই মো. আসমান আলী বলেন, তুমি বাড়িতে যাও দু-চার দিনের মধ্যে ১ লক্ষ টাকা ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। ভাইয়ের কথায় ১৭ ডিসেম্বর বিকাল বেলায় সেলিনা কোলের সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়ী ফিরে আসে। কিন্তু সন্ধ্যা ৬ টায় সেলিনার ভাইয়ের কাছে ফোন যায় সে আত্মহত্যা করেছে।
খবর পেয়ে দ্রুত তারা ছুটে আসেন জৈন্তাপুর উপজেলার বিড়াখাই গ্রামে। তারা পৌঁছার পূর্বেই জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে এবং লাশ থানায় নিয়ে আসার পদক্ষেপ গ্রহন করছে।
এদিকে ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য হারুনুর রশিদসহ একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কেউই ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না। প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে কিছু বলতে পারেন না বলে তারা জানান। তবে তারা জানান, ১০ মাসের কন্যা সন্তান রেখে আত্মহত্যা করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না।
এদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে গ্রামবাসী সেলিনার স্বামী ডালিমকে আটক করে রাখে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে থাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা।
জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জানান, সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশ থানায় আনা হয়েছে। অধিকত্বর তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত রির্পোট পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনার রহস্য জানা যাবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেলিনার স্বামীকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd