ঘুষ বানিজ্যের ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জের শিক্ষা অফিসার সহ একাধিক কর্মকতারা

প্রকাশিত: ২:০৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০১৯

ঘুষ বানিজ্যের ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জের শিক্ষা অফিসার সহ একাধিক কর্মকতারা

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ জেলার সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারে বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দুনীতি ও হাইকোটর আইন অমান্য করায় এ এ ঘটনার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে উপ-পরিচালক খুশেদা বেগমের নেতৃত্বে গত শনিবার সকাল সুনামগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসে ৫ ঘন্টা ব্যাপি এ তদন্ত শুরু করেছেন।

এ দীর্ঘ তদন্তে রহস্য বেরিয়ে আসছে বলে সচেতন মহলের ধারনা করছেন। তাদের নয়োগ বানিজ্যে ঘুঘ কেলেংকারি, হাইকোটে আদেশ অমান্য করার প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা প্রমানাদি পেয়েছেন তদন্তকারি কর্মকতা। চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ৫০৩ জনের পদায়ন করে  প্রায় দুই কোটি টাকার হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে জেলা শিক্ষা অফিসার পঞ্চানন বালাসহ উপজেলার একাধিক শিক্ষা অফিসারসহ ফেসেঁ যাচ্ছেন। প্রধান শিক্ষক পদায়ন করেন পঞ্চানন বালাসহ তাহিরপুর, ছাতক,দোয়ারাবাজার. দক্ষিন সুনামগঞ্জ দিরাইসহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতারা হাইকোট আদেশ, প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রনালয় আদেশ কেন তামিল করা হলো এ বিয়ষটি সঠিক উত্তর দিতে পারেনি সাবেক জেলা শিক্ষা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকতারা। এসময় সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার পঞ্চানন বালা শিক্ষকদের হাতে লাঞ্জিত করা হয় বলে সুত্রে জানায়।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির একাধিক প্রমানাদি ও শিক্ষক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খুশেদা বেগম হাতে তুলে দেন। তাহিপুর, দিরাই, ছাতক, দোয়ারাবাজার, দক্ষিন সুনামগঞ্জসহ অভিযোগকারি তাদের বিরুদ্ধে লিখিত ভাবে জবার দেন তদন্তকারি কর্মকতাকে। তিনি ঘুঘ কেলেংকারি প্রমানাদি দেখে অবাক হয়ে বলছেন, আপনার শান্ত থাকুন, তদন্ত করতে দিন, সত্যতা বের হবে বলে প্রতিশ্রতি দিয়ে সবার লিখিত বক্তব্য নিয়েছেন তদন্তকারি কর্মকতা খুশেদা বেগম। এদিকে সদ্য জাতীয়করন ৬১ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ, বদলী, পদোন্নতি চলতি দায়িত্ব না দেয়ার জন্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন (নং ১৮৩৩/২০১৫) এ আ‌দেশ অমান্য করে করেন পঞ্চানন বালা ও  মা‌নিক চন্দ্র দাশ সদ্য জাতীয়করনকৃত এসব  বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দেন। এসব নিয়োগকৃত শিক্ষক স্থ‌গিতা‌দেশ বিদ্যালয় থে‌কে প্রত্যাহার করার জন্য গত ১৭জুলাই প্রাথ‌মিক শিক্ষা অ‌ধিদপ্ত‌রে প‌রিচালক (প‌লি‌সি ও অপা‌রেশন) শাখার যুগ্ম স‌চিব শেখ জ‌সিম উ‌দ্দিন আহা‌ম্মেদ স্ব‌াক্ষ‌রিত প্রাথ‌মিক শিক্ষা অ‌ধিদপ্ত‌র থে‌কে এ আ‌দেশ না মানায় তিনি ক্ষোব্দ হন। গত ২০১৫ সালে সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও ছাতকে ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রাখা আদেশ দেয় হাইকোট।

এ আদেশ  না মেনেই পঞ্চানন বালা ও  মা‌নিক চন্দ্র দাশ বড় অংকের টাকা নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়। পঞ্চানন বালা ও  মা‌নিক চন্দ্র দাশ বিরুদ্ধে ব্যাপক ঘুষের মাধ্যমে ২৪টি বিদ্যালয় পদায়ন প্রধান শিক্ষক নিযোগ করা হয়। । বিদ্যালয়গুলো  হচ্ছে- বুড়াইরগাঁও, নোয়াগাঁও, সুলেমানপুর, কচুবাড়ি, আনন্দনগর, নোয়াপাড়া, মোহনপুর, দক্ষিণ কুশি, মৈশাপুর, মায়েরকুলসহ ৪০টি বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয় শিক্ষকবৃন্দ পঞ্চানন বালা ও  মা‌নিক চন্দ্র দাশ বিরুদ্ধে তারা লিখিত ভাবে জবাব দেয় তদন্ত কর্মকতার কাছে। এ ব্যাপারে  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক খুশেদা বেগম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিক জেনেই মোবাইল ফোন কেটে দেন এবং সাথে মোবাইল বন্ধ করে রাখা হয়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

December 2019
S S M T W T F
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

সর্বশেষ খবর

………………………..