সিলেট | |
প্রকাশিত: ৫:০০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯
আজ থেকে ঐতিহাসিক ক্বীন ব্রীজ দিয়ে সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে । শনিবার রাত ১২ টার পর থেকে ওই ব্রীজ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ।
এ সময় মেয়র বলেন, স্থানীয় মন্ত্রী সহ সকল দপ্তরের সাথে আলাপ করেই ক্বীন ব্রীজ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ক্বীন ব্রীজ একটি ঐতিহাসিক ব্রীজ। তাই ইতিহাস আর ঐতিহ্যকে রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরিফুল হক বলেন, ক্বীন ব্রীজ নিয়ে রয়েছে তার বিশেষ পরিকল্পনা। ব্রীজটি সংস্কার করে এর সৌন্দর্য বর্ধন করা হবে। ব্রীজের দুই পাশে ফুলের বাগান ও উন্নত বিশ্বের নানা স্থাপনার আদলে সংস্কার করা হবে। যাথে করে ওই ব্রীজ দিয়ে পায়ে হেঁটে গেলেও নগরবাসী স্বস্তি পায়।
এর পূর্বে, সংস্কারের জন্য ১ সেপ্টেম্বর থেকে সিলেট নগরীর ক্বিন ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হচ্ছে বলে জানায় সিসিক।
পুরনো এই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। তবু প্রতিদিন সেতুর উপর দিয়ে সুরমা নদীর এপাড়-ওপাড় হচ্ছে অসংখ্য যানবাহন। ফলে দেখা দিয়েছে ঝুঁকি।
এ অবস্থায় ঐতিহাসিক এই সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্কার কাজের জন্য ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছিল সিটি করপোরেশন। তবে এই সময়ে পায়ে হেঁটে সেতুটি পারাপার হতে পারবেন পথচারীরা।
তখন সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিন শিহাব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া ঐতিহাসিক ক্বিন ব্রিজ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান । এ জন্য ১ সেপ্টেম্বর থেকে ওই সেতু দিয়ে রিকশাসহ সব ধরণের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ মিলে সমন্বিতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ।
ক্বিনব্রিজ সংস্কারের কাজ শেষ হলে এটি যানবাহন চলাচলের জন্য ফের খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানান তিনি। তবে এই সেতু দিয়ে যান চলাচল একেবারে বন্ধ করে দেওয়ারও বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ আমলে ১৯৩৩ সালে সুরমা নদীর ওপর এই ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ব্রিজটির নির্মাণ শেষে ১৯৩৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। আসাম প্রদেশের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল ক্বিনের নামে এই সেতুর নামকরণ করা হয় ক্বিন ব্রিজ।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd