সিলেট ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১:৩১ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০১৯
নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ ময়মনসিংহ থেকে সিলেটে বেড়াতে আসা এক দম্পতিকে হেনস্থা ও ঘুষ নেয়ায় এক পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা জানতে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।
অভিযুক্ত এএসআই মো. ওবাইদুর রহমান হযরত শাহজালাল (রহ:) মাজার তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
ভুক্তভোগী ওই নারী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে পুরো ঘটনাটি তুলে ধরলে তা দ্রুত সবার নজরে আসে।
স্ট্যাটাসে ওই নারী লেখেন, সিএনজি অটোরিকশায় ৫ জন পুলিশ ছিল। আমার সঙ্গে আমার সাহেব ছিল। সিএনজি অটোরিকশা দাঁড় করিয়ে আমার সাহেবকে নিয়ে গেলো তাদের গাড়িতে। বলতাছে আপনি একটু আমাদের সঙ্গে আসেন কথা আছে। ওরে নিয়ে গিয়ে আমাকে প্রশ্ন করা শুরু। আপনার কি হয় ওনি? বিয়ে হলো ক’দিন? ছেলে-মেয়ে ক’জন? কি করেন? এখানে কেন আসছেন? তখন আবার চলে গেলো আমার সাহেবের কাছে। ওরেও গিয়ে একই কথা জিজ্ঞেস করা হলো কিন্তু আমার আড়ালে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরো উল্লেখ করেন- নাস্তা না করেই গাড়িতে উঠলাম। আমার সাহেব আমার সঙ্গে একটা কথাও বলে না। ১২টা বাজে তাও কথা বলে না। আমি বারবার ওরে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি কাজ হয়নি। দুপুরে খাবার বিরতি দিলো। নামলাম খাওয়ার জন্য। ওরে বললাম দেখো আমার সঙ্গে কথা বলছো না কেন? আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার সঙ্গে এমনটা করো না। তখন দেখি ওর চোখ ভিজে গেছে। ও বলতাছে জানো আমাকে কি জিজ্ঞেস করেছে? আমাকে বলতাছে কত টাকায় ভাড়া করে নিয়ে আসছেন? আমার সাহেব তখন বললো দেখুন আমার বউটা খুবই ভালো পরিবারের মেয়ে আর আমিও ওরে খুবই যতœ আর সম্মানে রাখি, আমাকে যা খুশি বলেন আমার বউটাকে নিয়ে কিছু বলবেন না।
ওই নারী আরো লেখেন, ‘আমি ঘুরতে পছন্দ করি। আমার ছেলে ইন্টারে পড়ে। এখন আমাকে কাবিননামা নিয়ে ঘুরতে হবে। আমি আর কি লিখবো? তবে মরে গেলেও সিলেট কোনোদিনই আর যাবো না।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুসা বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কানেও পৌঁছেছে। এ নিয়ে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে ঘটনাটি শুনে আমাদের খুব খারাপ লেগেছে। এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এতে জড়িত সন্দেহে এএসআই ওবাইদুর রহমানকে ক্লোজড করা হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd