এছাড়া একই গ্রামের আব্দুল গণির ১৫টি গরু ৪ বারে চুরি হয়েছে। গরু’র মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। লেখন মিয়া’র ৭টি গরু চুরি হয়েছে। চুরি হওয়া গরুর মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা, আশ্রব আলী ১২টি গরু যার মূল্য ৬ লাখ টাকা, আব্দুল হক শিকদারের ৩টি গরু যার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা। মন্টু চৌধুরীর ২টি গরু যার মূল্য ১লাখ টাকা। বাওনপুর গ্রামের তজম্মুল আলীর ২টি গরু চুরি হয়েছে। যার মূল্য ২ লাখ টাকা ও একই গ্রামের হারিছ আলী মাষ্ঠারের ২টি গরু চুরি হয়েছে। চুরি হওয়া গরু’র মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা।
এ ব্যাপারে ইলিমপুর গ্রামের শেখ ফজর রহমান জানান, ঘন ঘন গরু চুরি হওয়ায় এলাকার গৃহস্থরা চরম আতংকে রাত কাটাচ্ছেন। তিনি চুরি বন্ধে থানা পুলিশের টহল অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা কামনা করেছেন।
থানার অফিসার ইন-চার্জ শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, গরু চুরি হওয়ার বিষয়ে কেউ আমাকে অবগত করেনি। কেউ অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।