সিলেট | |
প্রকাশিত: ২:১৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) পরিবহন শাখায় ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও জনগণের অভিযোগ—সাবেক ডেবিল মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের হাত ধরে সিসিকে আসা নির্বাহী প্রকৌশলী ও পরিবহন শাখার প্রধান মোহাম্মদ উল্লাহ সজিবের নেতৃত্বে এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট জনগণের ট্যাক্সের টাকায় হরিলুটের রাজত্ব কায়েম করেছে।
অভিযোগে উঠে এসেছে নানা অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির বিস্ফোরক তথ্য, গাড়ির যন্ত্রাংশ বা মেরামত বাবদ যেখানে ২০,০০০ টাকা খরচ হওয়ার কথা, সেখানে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা হচ্ছে।
পরিবহন শাখার প্রধান ড্রাইভার মাসুক দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি না চালিয়ে অনৈতিকভাবে নিয়মিত বেতন তুলে নিচ্ছেন।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গঠিত চক্রটিকে সচল রাখতে উল্লিখিত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে অন্তত ৩০,০০০ টাকা করে মাসোহারা বা অনৈতিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে প্রকাশ পায়।
অভিযোগে এই অনিয়ম চক্রের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে- নির্বাহী প্রকৌশলী ও পরিবহন শাখা প্রধান মোহাম্মদ উল্লাহ সজিব। গাড়ি না চালিয়ে বেতন ভোগকারী প্রধান ড্রাইভার মাসুক। বিপ্লব কর্মচারী সংসদের নেতা ও ড্রাইভার (সিন্ডিকেটে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী)। সৈকত প্রকৌশলী (অনিয়মের অন্যতম অংশীদার)।
সিসিকের দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাধারণ নাগরিকরা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন, পরিবহন শাখার বিগত সময়ের সকল বিল ও ভাউচার নিরপেক্ষভাবে তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
জনগণের কষ্টের টাকায় লুটপাট বন্ধ করে সিসিকে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানীয়দের স্পষ্ট বার্তা-“সিসিক আমাদের, টাকা আমাদের-লুটপাট হতে দেব না!” এখন দেখার বিষয় সিসিক কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এই বিষয়ে কী ধরনের শাস্তিমূলক ও তদন্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd