দিবা-নিশি :: বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত লেজেগোবরে অবস্থা। বিশ্ব দরবারে ক্রমান্বয়ে দেশের ভাবমূর্তি বিভিন্ন প্রশ্নের সৃষ্টি করছে। স্ব উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এর পদত্যাগ ও ইতিমধ্যে সাবেক স্বাস্থ্য সচিবের দফতর থেকে বদলি প্রমাণ করে অদক্ষ ও অকর্মন্য ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের উপর বর্তমান সরকার আস্থা, বিশ্বাস হারিয়ে ফেলার উপক্রম।
তাছাড়া সাহেদ সাবরিনাদের করোনা টেস্ট নিয়ে দূর্নীতি মহাৎসবের চমকপ্রদ খবরাখবর আল জাজিরা, বিবিসি বাংলাসহ অসংখ্য বিশ্ব মিডিয়ায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় দেশের আত্নমর্যাদা তলানিতে এসে পৌছেছে।
করোনা টেস্টের অজুহাতে ইতালীসহ বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভূয়া করোনা টেস্ট ডাক্তার নামধারী কিছু প্রতারক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধারাবাহিকভাবে ধৃত হলেও স্বাস্থ্যখাতে কোন উন্নতি সাধিত হয়নি।
স্বাস্থ্যখাতে এ বির্যয়ের কারনে করোনা টেস্টের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী।সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন নামি-দামি হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য বরাদ্দ করা হলেও ক্রমান্বয়ে আক্রান্তকারী রোগীর সংখ্যা কমে আসছে। করোনা পজেটিভ বহনকারীরা হাসপাতাল হতে নিজের বাড়িকে অধিকতর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসাবে বিবেচনা করছেন। এতেই ফুটে উঠে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে ভঙ্গুর অবস্থার সূচনীয় কাহিনী।
দ্রুতগতিতে এ খাতে দূর্নীতির সাথে জড়িত পর্দার অন্তরালের মূল নায়কদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত না করলে মহা বিপর্যের আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।