সরকারী খাদ্য আত্মসাতের অভিযোগে এ পর্যন্ত ১০৭ জন জনপ্রতিনিধি বহিষ্কার

প্রকাশিত: ৪:৫৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০২০

সরকারী খাদ্য আত্মসাতের অভিযোগে এ পর্যন্ত ১০৭ জন জনপ্রতিনিধি বহিষ্কার
দিবা নিশি :: জনসেবাকে আত্নত্যাগের প্রত্যয় নিয়ে যারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে অসহায় নিঃস্ব মানুষের খাদ্যসামগ্রী আত্নসাৎকারীর পরিচয় বহন করে তখন আমাদের ঘুনেধরা লুটেরা, অতিলোভী, কান্ডজ্ঞানহীন, পচনশীল সমাজ ব্যাবস্থার প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে সাধারণ মানুষের চোখে।
কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস প্রথম হানা দেয় ৮ মার্চের দিকে,সেই থেকে ক্রমশই এ হার বাড়তে থাকে। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে জনগণের নিরাপত্তা বিধানে সরকার বিভিন্ন সময়পোযোগী পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।পাশাপাশি দারিদ্র ও নিম্ন আয়ের লোকদের খাদ্য সামগ্রী জেলা প্রশাসনে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এসব খাদ্য সামগ্রী মাঠ পর্যায়ে বিতরণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মেম্বার,মহিলা মেম্বার,চেয়ারম্যানদের উপর।সমগ্র দেশে সরকারি হিসাব অনুযায়ী খাদ্য সামগ্রী আত্নসাৎের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১০৭ জন জনপ্রতিনিধিকে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কতৃক সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে যদিও এর সংখ্যা মোট সংখ্যার এক শতাংশের নিচে রয়েছে।
ওই সব স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা পাঁচ বৎসর অন্তর অন্তর জনগণের প্রতক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন।সবাই অন্তত প্রতিদ্বন্দ্বিতা পুর্ণ নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। ভোটের পুর্বে তাদের পোষ্টার,লিফট ও নির্বাচনকালীন প্রচার অভিযানে দেশ ও দেশের সেবা করার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করেন। তাদের কর্মী সমর্থকরা অমুক ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র স্লোগান সহ নানা রকমের মুখরোচক নির্বাচনি প্রচারে মত্ত থাকেন তাই এই সব জনপ্রতিনিধিরা যখন অত্যন্ত দরিদ্র অসহায় সম্বলহীন বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর করোনা ভাইরাসের এ মহামারীতে দু বেলা আহারের চাল সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী আত্নসাৎ করে অর্থের পাহাড় জমায় তাদের ধিক্কার জানানোর ভাষা বিবেকবান মানুষেরা হারিয়ে ফেলেছেন।ইতিপূর্বে যাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে ২/১ জন আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ লাভ করেছেন মর্মে পত্রিকান্তে প্রকাশিত হয়েছে। ওই সব দূর্নীতিবাজদের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপীল করা সরকারের জন্য এখন সময়ের দাবি হয়ে দারিয়েছে।
এছাড়া এ ব্যাপারে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত মন্তব্য থেকে জানাযায় অর্থের বিনিময়ে ভোট প্রদান করা হলে জনসেবক-ই ভক্ষকে পরিণত হয়। তাই জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি ভোটারদেরকে সৎ চরিত্রের অধিকারী হতে হবে।লোভ লালসার উর্ধে উঠে নেতে নির্বাচিত করলে নেতাদের কাছ থেকে সততা আশা করা যায়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..