সিলেট | |
প্রকাশিত: ১১:১৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৬, ২০১৯
তাহিরপুর উপজেলার ৫নং বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে নানা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক বরাবরে ৯ ইউপি সদস্যর লিখিত অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আপ্তাব উদ্দিন।
মঙ্গলবার (৬আগস্ট) বিকেলে বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ কার্য্যালয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক প্রকল্পের কাজ না করেই অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাটে ব্যস্থ রয়েছে। যা সত্য নয়, মিথ্যা ও বানোয়াট।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমার ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড সদস্যদের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদের ভাতা বৃদ্ধি করার কথা বলে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাদের মনগড়া অভিযোগ লিখে আমার বিরোদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে মিথ্যা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সংবাদে আমার ওয়ার্ড সদস্যদের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, পরিষদের নিয়মিত মাসিক মিটিং না করে ৩-৪ মাস পর পর সদস্যদের ডেকে স্বাক্ষর নিয়ে যাওয়া, প্রকল্পের বিষয়ে জানতে চাইলে নানান টালবাহানা করা, স্থানীয় সরকার নীতিমালা অমান্য করা, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের স্বাস্থ্য সম্মত স্যানেটারীর বরাদ্দ ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত বাদাঘাট বাজারের দুটি ড্রেইন, লাউরগড় বাজারের ড্রেইন, বাদাঘাট হাসপাতালের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, ননাই গ্রামের আরসিসি রাস্তা, বিভিন্ন স্কুলের বেঞ্চ, ২টি রাস্তার মাটি ভরাটসহ প্রায় ৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা, চেয়ারম্যান ও সচিব মিলে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা, নানান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ না করে আত্মসাৎ করা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আমার বিরোদ্ধ অভিযোগ দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যা মোটেও সত্য নহে। তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ্ করতে একটি কুচক্রিমহল মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরোদ্ধে ষড়য্ন্ত্র করছে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য আলী আহমদ বলেন, সংবাদে যে বক্তব্য আমার বরাত দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে তা আমার নই। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বলেন, আমাদের ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্যদের ভাতা বৃদ্ধি করার কথা বলে সাদা কাগজে সাক্ষর নেয়া হয়েছিল। ইউপি চেয়ারম্যান মহোদয়ের ব্যাপারে কোন অভিযোগ বা অনাস্থা জেলা প্রশাসক বরাবরে জানানোর জন্য নয়।
ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। একটি চক্র আমাদের ওয়ার্ড সদস্যদের ভাতা ও সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর কথা বলে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে আমাদের না জানিয়েই জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। যা ইউনিয়নের উন্নয়নকে বাদাগ্রস্থ্যও সামিল।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান,৩নং ওয়ার্ড সদস্য আলী আহমদ, মো. জাকির হোসেন, আব্দুল হক, মো. মফিজ উদ্দিন, মো. সামসুল হক, মো. মোস্তফা মিয়া, সংরক্ষিত আসনের সদস্যা মোছা. হাসনারা বেগম, মোছা. রাশেদা বেগম, মনোয়ারা বেগম প্রমুখ।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd