সজনের ভারে ন্যুয়ে পড়েছে গাছগুলো : সর্বত্র গাছে নান্দনিক ফুল

প্রকাশিত: ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০১৯

সজনের ভারে ন্যুয়ে পড়েছে গাছগুলো : সর্বত্র গাছে নান্দনিক ফুল

Manual8 Ad Code

রামিম হাসান,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সর্বত্র গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে নান্দনিক সাদা সজনে ফুল।চলতি মৌসুমে প্রতিটি সজনে গাছ ফুলে ফুলে ভরে গেছে। ফুলের ভারে গাছের প্রতিটি শাখা প্রশাখা ন্যুয়ে পড়ছে।

Manual4 Ad Code

মনে হচ্ছে উপজেলার গ্রাম গুলো সাদা রংয়ের সজনে ফুলে নতুন সাজে সেজেছে। মৌসুমের শুরুতেই ফুলে ফুলে ভরে গেছে গাছ।মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছি আর সজনে ফুলে আকৃষ্ঠ হচ্ছে পথিকজনও।আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে সজিনার ভালো ফলন আশা করছে চাষি ও সংশ্লিষ্ঠ কৃষি বিভাগ।সজনে অনেকেই এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছে এছাড়া উপজেলায় প্রচুর সজনে গাছ রয়েছে।বহু গুণে গুণাদ্বিত যাদুকারি সবজি এই সজনে ডাটা। ওষুধি গুণাগুনে ভরা,সুস্বাধু,কোন উৎপাদন খরচ নেই অধিক লাভজনক এবং বাজারে ব্যাপক চাহিদা সম্পন্ন কেজি সজনের ডাটা ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দরে বাজারে বিক্রি হয়। পুষ্টিসমৃদ্ধ মৌসুমি সবজির মধ্যে সজনে অন্যতম,যা দেশে সর্বত্রই পাওয়া যায়।ড্রামস্টিক,মরিঙ্গাসহ দেশ-বিদেশে সজিনা বহু নামে পরিচিত হলেও বাংলাদেশে সজনে নামেই পরিচিত।সজিনার বহুবিদ ওসুধি গুণাগুণ রয়েছে।

Manual3 Ad Code

পুষ্টি বিশেষঞ্চদের মতে অ্যানিমিয়া, জয়েন্ট পেইন, ক্যান্সার, কষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, ডায়রিয়া, হার্ডপেইন, বøাডপেসার, কিডনিতেপাথর ধ¦ংসসহ বহু গুণে গুণাদ্বিত।বহুবিধ খাদ্যগুণ সম্পন্ন হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকায় সজনে গাছকে যাদুর গাছ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।আমাদের দেশে সজনে সচারচর সজনে দু’ধরণের হয়ে থাকে,মৌসুমি এবং বারমাসি।বারমাসি জাতের তেমন বেশি না হলেও মৌসুমি জাতের বেশির ভাগ চাষ হয়ে থাকে।এসব নানাবিধ গুনের কারণে প্রতি বছর দেশের প্রায় সব স্থানে প্রচুর পরিমানে সজিনার ডাল রোপন করা হয়।সাধারণত অন্যান্য ফসলাদির মত সজনে গাছের জন্য কোন চাষাবাদ কিংবা রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হয়না।মুলত গ্রামাঞ্চলের লোকেরা নিজ বাড়ির পাশে বা অনুপযোগী ক্ষেতের আইল,পুকুর খানা,গর্তেও ডিবির উপর অথবা রাস্তার দু’পাশে সজনে গাছের ডাল লাগিয়ে থাকেন এবং অযতেœ বেড়ে ওঠা এই সজনে গাছ এক থেকে দু’বছরের মধ্যে ফুল ফল দেয়।
শৈলকুপা উপজেলা কৃষি অফিসার সনজয় কুমার কুন্ডু বলেন, পুষ্টি গুণ দিক থেকে সজনে অত্যন্ত উপকারি একটি সবজি।সজনে অল্প দিনেই খাওয়ার উপযোগি হয় এবং বাজারজাত করা যায়। খেতে সু-স্বাদু ও বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকায় সজনে চাষ অত্যন্ত লাভজনক।সজনে চাষে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে প্রতিবছর সজনের ডাল রোপন করা হয়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..