ভাল কাজের ভাল ফল।প্রাচীন কাল থেকে এ কথাটি প্রচলিত।ভাল কাজ করে সিলেট এম এজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একে মাহবুবুল হক পুরুষ্কার হিসাবে বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তর হাসপাতাল বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উনাকে বদলি করা হয়। ওসমানী হাসপাতালে মাহবুবুল হক স্যার আসার পূর্বে কয়েকটি সমস্যা ছিল প্রকট।যেমন-হাসপাতালের চারদিক ময়লার স্তপ, বর্তমানে সেখানে ফুলের বাগান।হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব,যা হাসপাতালের জন্য ইতিবাচক।উনার উদার হস্তক্ষেপ একে অন্যের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ বেডে যায়।হাসপাতালের আগা গুরা ছিল দূনীতি,তিনি সেটা শতভাগ দূর করেন।দালালরা রোগিদের ভাগিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে রোগিদের সর্ব সান্ত করে ফেলত।যা তিনি কঠোর হাতে দমন করেন।হাসপাতালের মান বাড়ার কারনে বিগত বছরে রোগির সংখ্যা বেড়ে তিন গুন হয়েছিল। তিনি মারামারি ও দূর্ঘটনা কবলিত রোগিদের চিন্তা করে,ক্যাজুয়ালিটি ডিপাটম্যান্ট গঠন করেন।ফলে এ সকল রোগিরা জরুরি সেবা পেয়ে থাকেন। হাসপাতালের আইন শৃংখলা বজায় রাখার জন্য ৮০ জন আনসারের অনুমোদন করেন।বর্তমানে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে কোন বিগ্ন ঘটেনি। সব কিছু মিলিয়ে ওসমানী হাসপাতালের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটান মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ওসমানীর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা.একে মাহবুবুল হক।যার ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা খ্যাতির বিডম্বনার মূল্যায়নস্বরুপ পিজি হাসপাতালে বদলি করেন। আমরা সিলেটবাসি এ মহান ব্যক্তিকে হারালেও বাংলাদেশের সর্ব বৃহত্তর হাসপাতাল ফিরে পাবে ভাল মানের একজন মানুষ।তবে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হারাবে তার আসল অভিভাবক। আরেক দিকে আমরাও খুশি জননেত্রী শেখ হাসিনা রতনের সঠিক মূল্যায়ন করার জন্য।বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাই পারেন দেশের স্বাস্থ্য বিভাগকে উন্নয়নের রোড মডেলে রুপান্তরিত করতে।নেত্রীর বলিষ্ট পদক্ষেপে বাংলাদেশ এখন বিশ্ববাসির কাছে প্রসংশিত।তিনি কখনোও নিজের চিন্তা করেননি,বার বার বাংলাদেশের জনগনকে নিয়ে ভাবেন।এদেশের সর্বজন ভাল থাকলে নেত্রী যেন ভাল থাকেন।তিনিই খ্যাতি মানুষের মূল্যায়ন ও প্রশংসা করেন।দীর্ঘায়ু কামনা করি জননেত্রী মাননীয় শেখ হাসিনার। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক হিসাবে সরকারের ব্যাপক উন্নয়নে অবদান রাখবেন, এ কামনাই করছি।