তাহিরপুর হাসপাতালে ভিকটিমকে জোর পুর্বক বের করে দেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: 3:45 PM, January 24, 2018

তাহিরপুর প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চিকিৎসাধীন এক ভিকটিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসক কতৃক জোর পুর্বক বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ’ এ নিয়ে চিকিৎকের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট বাণিজ্য ও অসদাচরণের কারনে প্রতিকার চেয়ে ভিকটিম সিভিল সার্জনের নিকট মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ করেছেন।’

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বারহাল গ্রামের আবদুল কুদ্দুছের ছেলে আফিল গণী প্রতিপক্ষের দ্বারা রামদা কোপে মাথার একাধিক অংশে গুরুতর রক্তার্থ জখমী হয়ে চিকিৎসার জন্য বিগত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দুপুরে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।’ মাথায় জখমী স্থানে ৭ থেকে ৮ সেলাই দিয়ে পুর্ণ চিকিৎসা না করেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা.মির্জা রিয়াদ হাসপান প্রতিপেক্ষর নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ভিকটিমকে ৫ দিন পর ৩১ ডিসেম্বর জোরপুর্বক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বের করে দিয়ে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারী সাধারন জখমের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করেন।’

ভিকটিম অভিযোগে আরো উল্ল্যেখ করেন, প্রতিপক্ষ আর্থীক প্রভাবশালী হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার তার লালিত একটি দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ পেয়ে আমি পূরোপুরি সুস্থ্য এমনকি পুর্ণ চিকিৎসা না দিয়েই আমাকে জোর পুর্বক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বের করে দেন।’

তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মির্জা রিয়াদ হাসানের নিকট অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে বুধবার যোগাযোগ করা হলে তিনি উৎকোচ গ্রহনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, স্বাভাবিক নিয়ম মেনেই আফিল গণীকে ছাড়পত্র দেয়াা পর তার নামে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাস অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে বুধবার বললেন, তদন্ত করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..