জগন্নাথপুরে নামধারি তিন সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ

প্রকাশিত: ২:১৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নামধারি তিন সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ করেছেন জহুর আলী নামের এক আমিরাত প্রবাসী।তিনি এব্যাপারে র্যার, পুলিশ ও স্থানীয় ইউএনও ও সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোর সংশ্লিষ্টদের কাছে পৃথক পৃথক অভিযোগ করবেন বলেও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযোগকারী জহুর উদ্দিন একজন প্রতিষ্ঠিতব্যবসায়ী ও দানশীল ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। তিনি উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের মৃত হাজী আইনউল্লার ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- গত ১৭জানুয়ারি জহুর উদ্দিন এর ছোট ভাই প্রবাস থেকে এসে বিয়ের পিড়িতে বসেন। তাঁর ভাইয়ের স্ত্রীর জন্ম সনদে ০১/০১/২০০০ সাল থাকলে ১৮বছর বয়স হওয়ায়বিবাহের রেজিষ্ট্রারভুক্ত (কাবিননামা) করা হয়।

বিয়ের পর পাসপোর্ট করতে চাহিলে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেটের সনদে কাবিননামার দজন্মতারিখ’ এর মধ্যে পার্থক্য দেখা দেয়। পরবর্তীতে কাবিননামার জন্ম সনদের সাথের মিল করতে ওভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নববধূ গিয়ে হলফনামা করেন।

যা গত ২২ জানুয়ারি ‘দৈনিক উত্তরপূর্ব’ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

পথিমধ্যে নামধারি তিন সংবাদকর্মী দৈনিক জালালাবাদ প্রতিনিধি আলী আসগর ইমন, দৈনিক সুনামগঞ্জ প্রতিদিন প্রতিনিধি বিপ্লব দেব নাথ ও দোয়ারাবাজার ২৪ডটকমের প্রতিনিধি জুয়েলআহমদ মাহিন জন্ম সনদ ও স্কুল সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখে ভুল শোনে পাইলগাঁও গ্রামে ছুটে যায়।

সেখানে গিয়ে নানান ভয়ভীতি ও অজুহাত দেখিয়ে গ্রামের সহজ সরল লোকজনের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে আরও দশ হাজার টাকা দাবি করে বসে। না হয়পত্রিকায় নিউজ করে বাঁশ দিবে বলে চাঁদা চেয়ে বসে।

তারা এসব চাঁদা দিতে পারবেনা ও ওই সাংবাদিক সমাজকে কুলশিতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান করেন।

এছাড়া এদের বিরুদ্ধে র্যার, পুলিশ, স্থানীয় ইউএনও ও সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোর কর্তৃপক্ষের কাছে পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছা শর্তে জগন্নাথপুরের এক সাংবাদিক বলেন, ওরা নিজেরা কিছু লিখতে পারেনা। অন্যের সংবাদ কপি করে কাজ করে। তাছাড়া ওরা সবসময় মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজীকরে।

ইতিপূর্বে আলী আসগরের বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউএনও এর কাছে টাকার বিনিময়ে বাল্যবিবাহ প্রদান করতে সহযোগীতা করার অভিযোগ করেছিলেন অপর এক প্রবাসী। অভিযোগকারী ওই প্রবাসীমেয়েকে বাল্যবিবাহ দেয়ার অপরাধে জেল ও জরিমানা করেছিলেন ইউএনও; আর ওই সংবাদকর্মীকে খুঁজে দেখবেন বলে জানিয়েছিলেন।

এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ আড়ালে চলে যায়। সে একের পর এক অপরাধ করে আর সমগ্র সাংবাদিক সমাজকে কুলশিত করে এটা মেনে নেয়া যায় না। এদেরকে আমরাপ্রতিহত করব।

এব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন- অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।(বিজ্ঞপ্তি)

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares