সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১০:২৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সরকারের কয়েকটি উন্নয়ন কাজে ঠিকাদরের গাফলতিতে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসি। যাতায়াতের উন্নয়নে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যায় হলেও সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতা আর গাফিলতিতে সমালোচনায় ফেলছে সরকারের এসব উন্নয়ন। গোয়াইনঘাট-মাতুরতল রাস্তার উনাই ব্রীজের কাজ বাতিলের জন্য লিখছেন প্রকৌশলী।
উপজেলার গোয়াইনঘাট-মাতুরতল সড়কের এলজিইডির আওতায় উনাই হাওরে ৬০মিঃ দীর্ঘ ব্রীজের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারীতে। আজ পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় যান চলাচলের বিকল্প সড়কের কোন ব্যবস্হা না করেই পূরাতন ব্রীজ ভেঙ্গে ফেলায় উত্তর গোয়াইনঘাটবাসির যোগাযোগ ব্যবস্হা সদরের সাথে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ চরম দূরভোগের কবলে পড়েন। পরে উপজেলা প্রশাসন,পরিষদ, বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির প্রচেষ্টায় একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণ হলেও সামান্য বৃষ্টি আর পানিতেই যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খেয়া পারাপার হয় চালুু।
ব্রীজটির ঠিকাদারের কাজের গাফিলতিতে সৃষ্ট জনদূর্ভোগ এখনও চলছে। ব্রীজটি নির্মাণে সরকারের ৮ কোটিরও বেশী টাকা ব্যায় হচ্ছে। এলাকাবাসী জানান ঠিকাদার এখনও কাজের কাজ কিছই করতে পারেনি, ২/১দিন কাজ করলে আবার কয়েকদিন বন্ধ থাকে। জানা যায় ব্রীজটির ঠিকাদরিত্ব পায় আল কামিল প্রোপাইটিজ। উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় ৩০% কাজ হয়েছে, আমি কাজ বাতিলের জন্য লিখেছি। এক কোটি টাকার বেশী ব্যায়ে তোয়াকুল কুরিখলা-কান্দিগ্রাম রাস্তা (২০২১/২২ অর্থ বছরের) ১৬শ মিঃ দীর্ঘ রাস্তার কাজে রয়েছে ধীরগতি।ফলে কাজ এখনও শেষ হয়নি। আটলীহাই নাইন্দা রাস্তা ৩ হাজার ৪ শ মিটার, আরসিসি, বিসি, ব্যায় দুই কোটি টাকারও বেশী, ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠান রুপালী কনস্ট্রাকশন, বরিশাল। এলাকাবাসী জানান বছরের প্রথম দিকে কাজের জন্য রাস্তাটি ভাঙ্গা হয়, কাজে ধীরগতি থাকায় যাতায়াতে মারাত্মক জনদূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীসহ জরুরী রেগী পরিবহন বিঘ্নিত হচ্ছে। উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, কাজ এই ক’দিন থেকে শুরু হয়েছে। একই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যায়ে গোয়াইনঘাট টু গুরকচি সাড়ে ছয় কিঃ রাস্তা কাজ শুরু করে গেল বছরের প্রথম দিকে। আজও শেষে হয়নি। এ ছাড়া কাজের মান নিম্নমানের হওয়ায় রাস্তার কার্পেটিং উঠতে শুরু করেছে বলে জানান এলাকাবাসি। উক্ত ঠিকাদার কার্পেটিং এর মালামাল গোয়াইনঘাট সদরের পাশে তৈরী করে গাড়ী দিয়ে ৪/৫ কিঃ মিঃ দূরে নিয়ে কার্পেটিং করায় রাস্তা মেরামতের উপকরণগুলো অনেকটা শীতল হয়ে পড়ে। দায়সারা ভাবে কার্পেটিংয়ের কাজ করা হচ্ছে এমন অভিযোগ জনসাধারনের। গোয়াইনঘাট সদরের পাশে যেখানে তার মালামাল রয়েছে সেখানে পূর্বের ভাঙ্গা রাস্তা থাকায় যান চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে।সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে রয়েছেন উদাসীন। ঠিকাদারের কাজে ধীরগতি, উদাসীনতা, রয়েছে সুষ্ঠ তদারকির অভাব, এতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। সরকার মানুষের উন্নয়নে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করেলেও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষন্ন করা হচ্ছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
ব্রিজের সাইট ম্যানেজারের কাছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম্বার চাইলে, উনি বলেন আপনার নাম্বার দিয়ে যান আমি উনাকে বলব আপনাদের সাথে কথা বলতে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd