সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:১১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : মাত্র এক বছরের ব্যবধানে গাড়ি-বাড়ি ও জায়গা-জমিসহ শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ-এর ঠিকাদার নজরুল ইসলাম। অথচ মাত্র ক’বছর আগে তিনি ছিলেন একটি সেনটারি দোকানর কর্মচারী। নুন আনতে পান্তা ফুরানো অবস্থা ছিল তার পরিবারের।
অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করেই তিনি গড়ে তুলেছেন জ্ঞাতআয় বহির্ভুত সম্পদের এ পাহাড়। এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনগন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক চেয়ারম্যান বরাবরে জনস্বার্থে দেওয়া এক আবেদনে এলাকাবাসী এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগে প্রকাশ,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ-এর অতি সাধারণ ঠিকাদার নজরুল ইসলাম ক’বছর আগে স্থানীয় একটি সেনটারি দোকানে মাসিক মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতেন। মাত্র বছরদিন আগে হঠাৎ করে তিনি হয়ে যান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ এর ঠিকাদার। ঠিকাদারী পেয়েই যনো হাসিল করেছেন আলাদিনের চেরাগ। একবছরের ব্যবধানে হয়ে যান শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক। বিলাসবহুল গাড়ি, তিনটি মোটর সাইকেল, একটি চারতলা বিশিষ্ট আলীশান বাড়ি নির্মানের পাশাপাশি নিজ এলাকায় হয়ে গেছেন নামে-বেনাম বহু জায়গা জমির মালিক। বিলাসী জীবন যাপনের অংশ হিসেবে ঘনঘন সফর ও ভ্রমন করে চলেছে বিভিন্ন দেশ। তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ব্যাংক একাউন্টগুলোতে রয়েছে অস্বাভাবিক লেনদেন।
এলাকাবাসী ঠিকাদার নজরুল ইসলামের ব্যাংক একাউন্টগুলো খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তার জ্ঞাতআয় বহির্ভুত বিশাল সম্পদের উৎস খোজে বের করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানান।
আবেদনের সাথে ঠিকাদার নজরুল ইসলাম নামীয় কয়েকটি ব্যাংক একাউন্টের চেক’র ফটোকপি, বাড়ি-গাড়ির ছবিসহ বিভিন্ন কাগজপত্র সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
ঠিকাদার নজরুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমার বাবার ঠিকাদারী লাইসেন্স আছে। ২০১৬ সাল থেকে আমি ব্যবসা করছি। সম্পদের বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোন কিছু বলতে রাজি হননি। তবে ঠিকাদার নজরুল আরও বলেন আমার চেয়ে অনেক বড় বড় অবৈধ সম্পদশালী আছেন। আমি তাদের কাছে পিপড়া।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd