সিলেট ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর শহরে প্রশাসনের নাকের ডগায় বাসিয়া নদীর চর দখল করে দখলবাজরা গড়ে তুলেছেন বাসাবাড়ি দোকানপাঠ ও দলানের তৈরী বিশাল মার্কেট। দখলের কারনে নদীটি ছোট হয়ে একটি মরা নালায় পরিণত হয়েছে।
বর্ষাকালে এই নদীতে সল্প পানি দেখা গেলেও শীত মৌসুমে কৃষি কাজের জন্য নদীর তলদেশেও একটু পানি থাকেনা। ফলে সুপেয় পানি সংকট দেখা দিলে কৃষকরা চাষাবাদের জন্য চরম বিপাকে পড়তে হয়। কিন্তু জেলা প্রশাসন থেকে নদীর চর থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও ৬বছর ধরে মামলা জটিলতায় আটকে আছে উচ্ছেদ কার্যক্রম। এতে দখল আর দূষনে দিন দিন বিলীন হতে চলেছে নদীর দৃশ্যতা।
এছাড়ও দখলবাজরা অবৈধভাবে দখল করে বন্ধ রেখেছেন দক্ষিণসুরমার মাসুক বাজারে সুরমা নদী থেকে বাসিয়া নদীর উৎপত্তীস্থল। ফলে সুরমা নদীর পানি বাসিয়া নদীতে প্রবেশ করতে পারছেনা। দীর্ঘদিন ধরে সুরমা নদী থেকে বাসিয়া নদীর উৎপত্তীস্থল (প্রবেশ মুখ) দখল উচ্ছেদ করে খননের দাবি করে আসলেও সুফল পাচ্ছেন না পরিবেশবাদিরা।
গত ২০১৭ সালে আ’লীগ বিএনপি নেতাসহ ১৮৬ জন অবৈধ দখলদারের তালিকা কৈরী করে সরকার পক্ষ থেকে উচ্ছেদ মামলা করে উপজেলা প্রশাসন। মামলা নং- ০৪/২০১৭ইং। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন থেকে এই ১৮৬ জন দখলদারকে চিহ্নিত করে উচ্ছেদের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হয়েছে। বিগত ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল এই নোটিশ ইস্যু করা হয়েছিল। এরপর থেকে উচ্ছেদ ঠেকাতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন দখলদাররা। দখল ঠেকাতে তাদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে দুটি রীট পিটিশন মামলা করেন দখলদার ডাঃ নজরুল ইসলাম গং ও দখলদার উলফত আলী গং সহ ১৮৭জন। তাদের দুটি মামলা নম্বর হচ্ছে- ৫৩৪০/২০১৭ ও ৯১৩৫/২০১৭ ইং। আর এ দুটি রীট মামলা জটিলতায় আটকে আছে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ কার্যক্রম।
জানতে চাইলে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা জাহান সরকার বলেন, দখল ঠেকাতে দখলদাররা প্রতি বছরই তাদের রীট মামলাগুলো আপডেট করেন। ফলে উচ্ছেদ কার্যক্রম আটকে আছে।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd